Logo
শিরোনাম :
মহেশখালীতে বেলুনের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ১০ নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির ‘গুলিতে’ রোহিঙ্গা ইয়াবা কারবারি নিহতঃঅস্ত্রসহ ইয়াবা উদ্ধার ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে হাই স্কুলের শিক্ষকদের সৌজন্য সাক্ষাত কক্সবাজারে তিন খাবার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২টি লাশ উদ্ধার ইসলামাবাদে নির্মম খুনের শিকার মা-মেয়ের দাফন সম্পন্ন : মামলা প্রক্রিয়াধীন সখীপুরে কলেজ ছাত্র রবিন হত্যার বিচার দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন মুজিববর্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ হাজার ৩১৯টি পরিবারের পাচ্ছে মাথা গোঁজার আশ্রয় ইসলামাবাদে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১ বঙ্গবন্ধু সেতুর দু’পাশে ৫০ কিলোমিটার যানজট

প্রদীপসহ তিন পুলিশ সদস্যের ফের তিন দিনের রিমান্ড

কক্সবাজার প্রতিনিধি।  / ১১৪ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

 

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফের বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিতের তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা সোয়া ৩টার দিকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টেকনাফ-৩ আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) খায়রুল আলম অধিকতর তথ্যের স্বার্থে চার দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
শুনানি শেষে বিচারক তামান্না ফারাহ ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
অপরদিকে, আসামিদের পুনঃরিমান্ডের বিরোধীতা এবং জামিন আবেদনে অংশ গ্রহণ করেন চট্টগ্রাম থেকে আসা তিন আইনজীবী। বিচারক তাদের আবেদন নাকচ করে দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) খায়রুল আলমের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৪ আগস্ট ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশের দ্বিতীয় দফায় চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করছিলেন একই আদালত। তার আগে আসামীদের সাত দিনের রিমান্ড শেষ হয়।
গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর এপিবিএন এর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো: রাশেদ খান।
গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মো. রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে প্রদীপসহ পুলিশের নয়জনকে আসামি করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ পৃথক তিনটি মামলা করেছে। পরে সাক্ষী অপহরণের অভিযোগে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় আরো একট মামলা হয়েছে।
এ মামলায় এ পর্যন্ত পুলিশের ৭ জন, এপিবিএনের ৩ জন ও স্থানীয় ৩ জন বাসিন্দা (পুলিশের মামলার সাক্ষী) গ্রেফতার হয়েছেন। মামলা তদন্ত করছে র‌্যাব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর