Logo
শিরোনাম :
টেকনাফে এনজিও সংস্থার দখল থেকে খেলার মাঠ ফেরত চান শামলাপুরবাসী সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে…. কক্সবাজার সদর যুবলীগের বর্ধিত সভা ৩০ অক্টোবর ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিকী সম্মেলন ও কাউন্সিল ৩০ অক্টোবর রাইখালীতে প্লাস্টিকের বস্তায় ২’শ লিটার মদ পাচারের সময় নারী মাদক বিক্রেতা আটক নির্বাচনের আগেই বান্দরবান পৌরসভায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড শুরু, প্রায় ৭৪ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে বান্দরবান পৌরসভা চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগন্জে সিআইডি দেখে খেলতে গিয়ে গলায় ফাঁস লেগে প্রাণ গেল শিশুর ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদের ওপর হামলায় বিএমএসএফের় তীব্র প্রতিবাদ চাঁপাই নবাবগন্জের শিবগঞ্জে ৫শ মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস টেকনাফ প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণ কাজ উদ্বোধন গোদাগাড়ীতে ৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী আটক

পুলিশের সেই তিন সাক্ষীকে ৪ দিনের রিমান্ডে নিলো র‌্যাব

ইমাম খাইর কক্সবাজার। / ৭২ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০

 

মেজর (অবঃ) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষীকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে র‌্যাপিড এ্যাকশান ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব)।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সোয়া ১১ টার দিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে র‌্যাবের একটি দল তাদের নিয়ে গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা কারাগারের সুপার মোকাম্মেল হোসেন।
রিমান্ডে নেয়া তিন আসামী হলেন- টেকনাফ মারিশবুনিয়া এলাকার নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মো. আয়াছ।
গত ২৫ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম তাদেরকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
শুনানী শেষে দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক তামান্না ফারাহ্।
এর আগে গত ২০ আগস্ট প্রথম দফায় তাঁদের সাত দিনের রিমান্ড শেষ হয়েছিল।
মেজর সিনহা খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষীকে ১১ আগস্ট মারিশবুনিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।
৩১ জুলাই মেজর (অব.) সিনহা নিহত হওয়ার পর সিনহা ও তার সঙ্গে থাকা সিফাতের বিরুদ্ধে মাদক ও পুলিশকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করে পুলিশ।
উপপরিদর্শক নন্দ দুলাল রক্ষিতের দায়ের করা ওই মামলায় এই তিন জনকে সাক্ষী দেখানো হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত ৩১শে জুলাই রাতে টেকনাফের পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ দিয়ে হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান।
এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি মামলা হয়। একটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়। এই মামলায় সরকারি কাজে বাধা ও গুলিতে নিহত হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। সেই মামলার আসামি করা হয় সিফাতকে। আর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রামু থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় আসামি করা হয় শিপ্রা দেবনাথকে।
৫ আগস্ট নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, থানার এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
পরের দিন বৃহস্পতিবার বিকালে ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত, এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ ৭ পুলিশ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
এ মামলার অপর দুই আসামি এসআই টুটুল ও মো. মোস্তফা আদালতে হাজির হননি। পুলিশের দাবি, এই নামে জেলা পুলিশে কেউ নেই। তবে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
ওই হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত সাত পুলিশ সদস্য, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য ও টেকনাফ পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষীসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর