Logo
শিরোনাম :
শান্তিপূর্ণ ভাবে রাজাপালং ৯নং ওয়ার্ডের নির্বাচন সম্পন্ন পিতার আসনে ছেলে হেলাল উদ্দিন বিজয়ী  চকরিয়ায় কীটনাশক পানে পলিটেকনিক ছাত্রের আত্মহত্যা ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ….. ঈদগাঁও বাজারে মলকান্ড : জনদূূর্ভোগ চরমে কক্সবাজারে নৌকা ভ্রমণে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই বন্ধু রামুতে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী ও বাঁক প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক ১ টেকনাফে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস দুর্নীতির মামলায় অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত ঢাকা- নওগাঁ উপ-নির্বাচনের ফলাফল প্রত‌্যাখান করে বান্দরবান জেলা বিএনপির প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ পেকুয়ায় বড় ভাই ছোট ভাইকে কামড়িয়ে আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন

মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন রিক্সার পার্টস বিক্রেতা থেকে ইউপি চেয়ারম্যান হয়ে এখন অঢেল সম্পদের মালিক মিরান চেয়ারম্যান

এ কে এম ইকবাল ফারুক,চকরিয়া / ৩১ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০

 

গরু চুরির অপবাদ দিয়ে মা-মেয়েসহ একই পরিবারের চারজনকে রশিদিয়ে বেঁধে সামাজিকভাবে হেনন্থ ও শাররীক ভাবে নির্যাতন চালিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনার জন্ম দেয়া লোকটি হলেন কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরান। এক সময় রিক্সার পার্টস বিক্রেতা ছিলেন তিনি। বলতে গেলে এটিই ছিল তার আয় রোজগারের একমাত্র উৎস। বিগত ২০১৬ সালে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে দলীয়ভাবে মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মিরানুল ইসলাম মিরান। তারপর থেকে তাকে আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি। ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়ার পাশাপাশি মালিক হয়েছেন অঢেল সম্পদের। গড়েছেন স্থাবর-অস্থাবর অনেক সম্পদ।

স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, মিরানুল ইসলাম মিরান ২০১৬ সালে হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর ক্ষমতা অপব্যবহার করে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের চুনতি রেঞ্জের অধিন হারবাং বনবিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাঁচ একর জমি জবর দখল করে নির্মান করেছেন দুইটি মার্কেট ও সাতটি বাড়ি নির্মান করে ভাড়া দিয়েছেন। এর বাইরেও জবর দখল করে নিয়েছেন বনবিভাগের সাত একর রিজার্ভ বনভুমি। তার রয়েছে নামে-বেনামে রয়েছে ২১ একর জমি। এছাড়া নিজের নামে রয়েছে রাইচ মিল ও স-মিল। কিনেছেন দুইটি মাইক্রোবাস। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে গত সাড়ে চার বছরে এসব অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন হারবাং ইউনিয়নের আলোচিত চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরান।

মিরান চেয়ারম্যান একইভাবে লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ধইল্যাছড়ি এলাকায় ক্রয় করেছেন ২০ একর জমি। এছাড়া হারবাং ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় পাঁচ একর ও মসজিদ মুরা এলাকায় দুই একর রিজার্ভ বনভূমি জবর দখল করেছেন। হারবাং স্টেশন এলাকায় জুনু মেম্বারের মালিকানাধীন পাঁচটি দোকানও জবর দখল করার অভিযোগ রয়েছে মিরান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

এছাড়া মিরান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের কোতয়ালী থানায় মারামারি ও হারবাং ইউনিয়নের একটি মাজারের খাদেমকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা রয়েছে। সর্বশেষ হারবাং ইউনিয়নে গরু চুরির অপবাদ দিয়ে মা-মেয়েসহ একই পরিবারের চারজনকে রশিদিয়ে বেঁধে সামাজিকভাবে হেনন্থ ও শাররীক ভাবে নির্যাতন করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামী। বর্তমানে ওই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে আত্নগোপনে চলে যান ইউপি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরান।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মিরান চেয়ারম্যানের বক্তব্য জানার জন্য তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে ফোন দিলেও বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর