Logo
শিরোনাম :
পাউরুটি কিনে দিয়ে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা মুক্তি চাইলেন ধর্ষিতা, কারাফটকে বিয়ের নির্দেশ কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ৩৬৫ জনের নমুনা টেস্টে ৪৬ জন করোনা পজেটিভ শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের যুবলীগ সভাপতি ছৈয়দুল বশরের শুভেচ্ছা সকল অপশ‌ক্তি‌কে ক‌ঠোর হা‌তে দমন কর‌ছেন শেখ হা‌সিনা : রেজাউল ক‌রিম চৌধুরী চাচিকে ধর্ষণ: যুবলীগ নেতার ৪ দিনের রিমান্ড চাঁপাই নবাবগন্জের গোমস্তাপুর অটোর ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু শিক্ষকের মৃত্যুে নয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি ২০১৮ ব্যাচের শোক প্রকাশ ঈদগাঁওতে ছাত্রলীগের সভায় বক্তারা…. ঐক্যবদ্ব থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহবান প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্সবিহীন কোন গাড়ি চালক সড়কে থাকবে না

কমিটি গঠন সংক্রান্ত বিষয়ে বিভ্রান্তি নিরসন করুন’জেলা আ’লীগের প্রতি উখিয়া উপজেলা সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী’র আহবান

অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী:: / ৫৫ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

আমি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী, সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, উখিয়া উপজেলা শাখা ও চেয়ারম্যান , উপজেলা পরিষদ, উখিয়া। আমি ২০০৩ সালে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রত্যক্ষ ভোটে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। ঝঞ্চাবিক্ষুব্ধ ওই সময়ে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে উখিয়া উপজেলায় আমার প্রাণের সংগঠন আওয়ামী লীগকে সুদৃঢ় মজবুত ভিতের উপর দাড় করাতে সক্ষম হই-ত্যাগী ও নিবেদিত নেতাকর্মীদের সর্বাত্মক সহযোগিতায়।

তারই পুরষ্কার স্বরূপ ২০১৫ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আমাকে নিরঙ্কুুশ সংখ্যাগরিষ্টতায় নেতাকর্মীরা সভাপতি পদে নির্বাচিত করে এবং আজ অবধি সভাপতির দায়িত্ব অত্যন্ত বিশ্বস্থতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে পালন করে যাচ্ছি। সংগঠনের প্রতি আমার ত্যাগ, অবদান ও অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অ্যামাকে “উপজেলা চেয়ারম্যান” পদে মনোনয়ন প্রদান করে এবং আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হই। উল্লেখ্য ২০১৯ সাল পর্যন্ত উখিয়া “বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মহিলা কলেজ” এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষও ছিলাম আমি ।

বিগত ক’দিন যাবৎ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ০২/০৯/২০২০ তারিখে প্রকাশিত কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় পরিবেশিত সংবাদের মাধ্যমে অবগত হই যে- উখিয়া উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ও কার্যকরী কমিটির স্থলে একটি আহবায়ক কমিটি আবার কোন কোন ক্ষেত্রে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সমগ্র দেশে যখন “কোভিড-১৯” এ স্থবির, সে সময়ে শোকের মাস আগস্টে এই ধরণের একটি সিদ্ধান্তের খবরে আমি যুগপৎ বিষ্মিত ও যারপর নাই হতবাক হয়েছি।

এমতাবস্থায় আমাদের সাংগঠনিক উর্ধ্বতন স্তর কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ বরাবর আমার সবিনয়ে জিজ্ঞাসা-

(১) কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আদৌ উখিয়া উপজেলায় কথিত আহবায়ক বা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করেছে কিনা?

(২) কথিত আহবায়ক বা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটিতে আওয়ামী লীগ জেলা কমিটির একজন সহ-সভাপতিকে আহবায়ক এবং একজন কার্যকরী সদস্যকে যুগ্ন আহবায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে প্রচার হচ্ছে। যদি এই ধরণের আহবায়ক বা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি জেলা কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত না হয় তাহলে জেলা কমিটির দায়িত্বশীল এই দুজন কর্মকর্তার ব্যাপারে জেলা কমিটির অবস্থান ও বক্তব্য কি?

(৩) এই বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কোন সভা হয়েছে কিনা?

(৪) যদি হয়ে থাকে কোন তারিখে সভা হয়েছে?

(৫) সভা আহবানের নোটিশে বা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে কোন এজেন্ডা ছিল কিনা?

(৬) এ ধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে জেলা আওয়ামী লীগের এ প্রসঙ্গে কোন সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

বা বিবৃতি প্রকাশ করা আবশ্যক কিনা?

(৭) যেহেতু উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে এহেন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে মর্মে বলা হচ্ছে সে ক্ষেত্রে উখিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদককে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য নোটিশের মাধ্যমে আহবান করা হয়েছিল কিনা? একই সাথে সাংগঠনিক অন্যান্য প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কিনা?

(৮) এই সিদ্ধান্ত যদি গৃহীত হয়ে থাকে তা উপজেলা সভাপতি/সাধারণ সম্পাদককে লিখিতভাবে অবহিত করা উচিৎ কিনা?

(৯) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের কোন বিধান বা ধারা বলে এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে?

(১০) আমার জানামতে এবং গঠনতন্ত্রের আলোকে দলের প্রত্যেক স্তরে কার্যকরী ও নির্বাচিত কমিটি তৎপরবর্তী মেয়াদের কমিটি গঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এমন প্রেক্ষাপটে বর্তমান সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদকের উপরই পরবর্তী সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠানের দায়িত্ব এবং এখতিয়ার। যদি কোন ব্যতয় হয় সেক্ষেত্রে উর্ধ্বতন স্তর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নির্দেশনার জন্য আবেদন করবে এবং কার্যনির্বাহী সংসদ যে সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা প্রদান করবে সে অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের কথা গঠনতন্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ লিখিতভাবে কেন্দ্রের কোন নির্দেশনা পেয়েছে কিনা?

এমতাবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্যমন্ডিত ও বাংলাদেশের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ শাখা উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভাবমুর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে এবং তৃণমূলের হাজার হাজার নিবেদিত ও আদর্শিক নেতাকর্মী বিভ্রান্তিতে পড়েছে। তারা হয়েছে হতাশাচ্ছন্ন। একই সাথে জেলা আওয়ামী লীগের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতৃবৃন্দও এ বিষয়ে তাদের বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে যে কোন মুহুর্তে উখিয়ায় অনাকাংখিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক ঘটনা সংগঠিত হওয়ার আশংকা মোটেও উড়িয়ে দেওয়া যায়না।

অতএব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মহোদয়কে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে বিভ্রান্তি নিরসনে তথ্য নির্ভর বিবৃতি গণমাধ্যমে প্রকাশ করার জন্য বিনীতভাবে আহবান জানাচ্ছি।

নিবেদক
অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী
সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, উখিয়া উপজেলা শাখা

চেয়ারম্যান, উখিয়া উপজেলা পরিষদ, কক্সবাজার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর