Logo
শিরোনাম :
শান্তিপূর্ণ ভাবে রাজাপালং ৯নং ওয়ার্ডের নির্বাচন সম্পন্ন পিতার আসনে ছেলে হেলাল উদ্দিন বিজয়ী  চকরিয়ায় কীটনাশক পানে পলিটেকনিক ছাত্রের আত্মহত্যা ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ….. ঈদগাঁও বাজারে মলকান্ড : জনদূূর্ভোগ চরমে কক্সবাজারে নৌকা ভ্রমণে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই বন্ধু রামুতে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী ও বাঁক প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক ১ টেকনাফে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস দুর্নীতির মামলায় অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত ঢাকা- নওগাঁ উপ-নির্বাচনের ফলাফল প্রত‌্যাখান করে বান্দরবান জেলা বিএনপির প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ পেকুয়ায় বড় ভাই ছোট ভাইকে কামড়িয়ে আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন

সিনহা হত্যা: প্রস্তুত ৮০ পৃষ্টার তদন্ত প্রতিবেদন

কক্সবাজার প্রতিনিধি।  / ২৬ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট ৬৮ জনের বক্তব্য গ্রহণ করেছে তদন্ত কমিটি। এই সব কথা-বক্তব্য এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণ করে কমিটির সকল সদস্য সর্বসম্মতভাবে প্রায় ৮০ পৃষ্টার প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করেছে। সিনহার মৃত্যুর ঘটনাটি কেন ঘটেছে এবং এ ঘটনায় কারা দায়ী তা প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকবে।

প্রতিবেদনের সাথে ভবিষ্যতে যাতে এই্ ধরণের ঘটনা আর ঘটে সে জন্য করণীয় সম্পর্কে একটি সুপারিশমালাও প্রণয় করা হয়েছে। যা আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কাছে জমা করা হবে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার হিলডাউন সার্কিট হাউজে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এর মধ্যে দিয়ে তিন দফা সময় বাড়িয়ে ৩৫ দিনের মাথায় তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার কথা জানালেন কমিটি এই প্রধান।

তিনি আরও বলেন, আমাদের কমিটির তদন্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এই ঘটনায় আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। আইনি প্রক্রিয়ায় ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ হত্যার ঘটনার জন্য কারা দোষী তা আদালতই নির্ধারণ করবেন। দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ারও আদালতের। আমাদের কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রয়োজন মনে করলে বিচার কাজে ব্যবহার করার এখতিয়ার আদালতের আছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকবে মেজর সিনহাকে হত্যার ঘটনায় অনাকাঙ্খিতভাবে অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ, গুলি করার মতো পরিবেশ বা পরিস্থিতি সেখানে তৈরি হয়নি। ঘটনার সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যের আচরণ ও ব্যবহার ছিল অমানবিক।

মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লে. কর্নেল এসএম সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক জাকির হোসেন খান ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাং শাজাহান আলি।

গত ২ আগস্ট এ কমিটি গঠন করা হয়। কার্যক্রম শুরু করে ৩ আগস্ট। সাত কর্মদিবস অর্থাৎ ১০ আগস্ট কমিটিকে প্রতিবেদন জমাদানের সময় বেধে দেয় মন্ত্রণালয়। এরপর প্রথমবার কমিটির সময় বাড়ানো হয় ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। পরে কমিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে আবারও সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয় ৩১ জুলাই। এ সময়ের মধ্যে টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য গ্রহণ করতে না পারায় কমিটির মেয়াদ সর্বশেষ ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলা কারাগারে প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য গ্রহণ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি।

উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট রাতে টেকনাফের বাহারছড়া চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর