Logo
শিরোনাম :
শান্তিপূর্ণ ভাবে রাজাপালং ৯নং ওয়ার্ডের নির্বাচন সম্পন্ন পিতার আসনে ছেলে হেলাল উদ্দিন বিজয়ী  চকরিয়ায় কীটনাশক পানে পলিটেকনিক ছাত্রের আত্মহত্যা ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ….. ঈদগাঁও বাজারে মলকান্ড : জনদূূর্ভোগ চরমে কক্সবাজারে নৌকা ভ্রমণে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই বন্ধু রামুতে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী ও বাঁক প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক ১ টেকনাফে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস দুর্নীতির মামলায় অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত ঢাকা- নওগাঁ উপ-নির্বাচনের ফলাফল প্রত‌্যাখান করে বান্দরবান জেলা বিএনপির প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ পেকুয়ায় বড় ভাই ছোট ভাইকে কামড়িয়ে আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন

প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা প্রেমিকার

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি। / ৪৯ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৫ বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেও শেষে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি করায় প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে প্রেমিকা। পুলিশ প্রতারক প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে।
থানায় দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের ভাটেরখীল জেলেপাড়া গ্রামের পলি জলদাশ (ছদ্মনাম) নামক এক যুবতী চট্টগ্রামের ফ্রি পোর্ট এলাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকুরি করতেন। গত ৫ বছর আগে সেখানে চাকুরির সূত্র ধরে পলির (২৬) সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে সীতাকুণ্ডের শীতলপুর বগুলাবাজার এলাকার সন্তোষ জলদাশের ছেলে সুমন জলদাশের (৩০)। যুবতীটির অভিযোগ, প্রেম হবার পর থেকেই বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সুমন তার সাথে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে যাচ্ছিল। সর্বশেষ গত ১লা ফেব্রুয়ারী পলির বাড়িতে লোকজন না থাকার সুযোগ নিয়ে সুমন পুনরায় তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক তৈরী করে। এরপর তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে কৌশলে এড়িয়ে যেতে থাকে। এক পর্যায়ে তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় সে। দীর্ঘদিনেও সে বিয়ে না করায় পলি ধর্ষণের অভিযোগ তুলে গত রবিবার রাতে সীতাকুণ্ড থানায় প্রেমিক সুমনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ সোমবার অভিযান চালিয়ে প্রতারক প্রেমিক সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সুমন বণিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৫ বছর আগে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠার পর থেকেই সুমন পলির সাথে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করছিলো। কিন্তু বিয়ের প্রশ্ন আসায় সে অস্বীকার করে। এ কারণে প্রেমিকা মামলা দায়ের করলে আমরা সুমনকে গ্রেপ্তার করেছি। তবে গ্রেপ্তারের পর সে প্রেমিকাকে বিয়ে করতে রাজি হয়। কিন্তু মামলার পর আমরা তাকে ছাড়তে পারি না। তাই আমরা বলেছি আদালতে গিয়েই বলতে হবে সে যে বিয়ে করতে রাজি আছে। তাহলে আদালত জামিনের ব্যাপারটি বিবেচনা করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর