Logo
শিরোনাম :
পাউরুটি কিনে দিয়ে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা মুক্তি চাইলেন ধর্ষিতা, কারাফটকে বিয়ের নির্দেশ কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ৩৬৫ জনের নমুনা টেস্টে ৪৬ জন করোনা পজেটিভ শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের যুবলীগ সভাপতি ছৈয়দুল বশরের শুভেচ্ছা সকল অপশ‌ক্তি‌কে ক‌ঠোর হা‌তে দমন কর‌ছেন শেখ হা‌সিনা : রেজাউল ক‌রিম চৌধুরী চাচিকে ধর্ষণ: যুবলীগ নেতার ৪ দিনের রিমান্ড চাঁপাই নবাবগন্জের গোমস্তাপুর অটোর ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু শিক্ষকের মৃত্যুে নয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি ২০১৮ ব্যাচের শোক প্রকাশ ঈদগাঁওতে ছাত্রলীগের সভায় বক্তারা…. ঐক্যবদ্ব থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহবান প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্সবিহীন কোন গাড়ি চালক সড়কে থাকবে না

চকরিয়ায় মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন ইউপি চেয়ারম্যান মিরানসহ ৮জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি

এ কে এম ইকবাল ফারুক,চকরিয়া / ৫২ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কক্সবাজারের চকরিয়ায় গরু চোর সন্দেহে মা-মেয়েসহ একই পরিবারের চারজনকে রশিদিয়ে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত মামলার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো. মতিউল ইসলাম বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ওই প্রতিবেদনে মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় ৮ জনের সম্পৃক্ততার কথা উঠে এসেছে। পরে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক রাজিব কুমার দেব ইউপি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এ্যাডভোকেট ওমর ফারুক। তিনি বলেন, স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর আদালতের বিজ্ঞ বিচারক হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান মিরানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন। আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত মামলার তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনে তাদের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত: গত ২১ আগস্ট দুপুরে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নে গরু চোর সন্দেহে মা-মেয়েসহ একই পরিবারের চারজনকে রশিদিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে উপজেলা হারবাং ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও কতিপয় উৎসোক জনতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পরদিন শনিবার দিবাগত রাতে রশিতে বাঁধা অবস্থায় মা-মেয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে সর্বত্রই আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে কক্সবাজার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব পদ মর্যদার কর্মকর্তা ) শ্রাবস্তী রায়কে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি ২৪ আগস্ট চকরিয়া সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কর্তৃক সুয়োমোটো মামলার পর ওই বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারকে (চকরিয়া সার্কেল) তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো. মতিউল ইসলাম বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের কাছে তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর