Logo
শিরোনাম :
কুতুবদিয়ার সন্তান কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘কমিউনিটি পুলিশিং ডে’ উদযাপন শিবগঞ্জে প্রশাসনের অভিযান: ১৬ লাখ টাকার অবৈধ মোবাইল জব্দ মহানবী (সা.) এর অবমাননা, প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন ঈদগাঁওতে সেচ্ছাসেবী সংগঠক রানার উপর হামলা : সুষ্ট বিচার দাবী কক্সবাজারের কলাতলী টিএন্ডটি পাহাড়ে বসতবাড়ী উচ্ছেদে গুলিবর্ষণ, ৩ সাংবাদিক আহত কক্সবাজার সদর যুবলীগের বর্ধিত সভায়…. জালালাবাদ-পোকখালী-ইসলামাবাদ-পিএমখালী যুবলীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা বান্দরবানে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সাংবাদিকতার যোগ‍্যতা সংক্রান্ত আইনের খসড়া সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে টেকনাফে হোয়াইক্যং হাইওয়ে থানায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০ পালিত ধর্ষণের শিকার এক নারীর গল্প!

মফস্বল নয়, জাতীয় সংবাদ

ডেইলী উখিয়া নিউজ ডেস্কঃ / ৫২ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

শামীমুল হকঃ

দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী পত্রিকা জগতে এনেছেন ব্যাপক পরিবর্তন। বদলে দিয়েছেন অনেক কিছু। তিনিই প্রথম ঘোষণা দেন- মফস্বল নয়, জাতীয় সংবাদ। ১৯৯২ সালে এটা প্রমাণ করেছিলেন তিনি তার সম্পাদনায় প্রকাশিত বাংলাবাজার পত্রিকায়। সেখানে সারাদেশের খবরের পাতার নাম দিয়েছিলেন জাতীয় সংবাদ। এর আগে পত্রিকাগুলোর মফস্বলের পাতায় নাম ছিল গ্রামবাংলা, গ্রামগঞ্জ, রুপসী বাংলা ইত্যাদি। শুধু তাই নয়, তিনিই প্রথম জেলা উপজেলায় স্টাফ রিপোর্টার নিয়োগের প্রচলন করেন। আগে যা ছিল কল্পনার বাইরে।

মতিউর রহমান চৌধুরীই বাংলাবাজার পত্রিকার মাধ্যমে জেলা উপজেলার কোন ঘটনাকে চোখ বন্ধ করে প্রথম পৃষ্ঠায় লিড নিউজ হিসাবে প্রকাশ করেছেন। সে থেকে শুরু। বর্তমানে প্রতিযোগিতার মার্কেটে ছোটখাটো ঘটনাও স্থান করে নিচ্ছে পত্রিকার প্রথম কিংবা শেষ পৃষ্ঠায়। অবশ্য তথ্যপ্রযুক্তি এক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছে অনেকখানি। আগে যে ঘটনা মফস্বল থেকে ঢাকায় শুনতে সময় লাগতো সাত কিংবা ১০ দিন। আজ সে ঘটনা শোনা যায় সাত কিংবা ১০ মিনিটে। শুধু তাই নয়, দেশের যে কোন স্থানেই বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটুক না কেন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খবর চলে আসছে রাজধানীর পত্রিকা অফিসগুলোতে। ই-মেইলে ঘটনার তরতাজা ছবিও আসে।

টিভি চ্যানেলগুলোতে সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রল দেয়া হচ্ছে। ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপে মিনিটে মিনিটে আসে তরতাজা ছবি। অথচ আগে এ খবর আসতো ডাকযোগে। যোগাযোগ ব্যবস্থাও ছিল অনুন্নত। ডাকে আসা এ সংবাদ পেতে সময় লাগতো কমপক্ষে তিন থেকে চার দিন। কখনো কখনো সপ্তাহ পেরিয়ে যেতো। তারপর মফস্বল ডেস্ক এসব রিপোর্ট থেকে বেছে বেছে পত্রিকায় ছাপার মতো সংবাদ আলাদা করতো। এডিট, রিরাইটের পর তা দেয়া হতো কম্পিউটারে কম্পোজ করতে। এখন সব বদলেছে। পত্রিকাগুলো মফস্বলকে আর মফস্বল বলে অন্য চোখে দেখছে না। গুরুত্ব অনুযায়ীই রিপোর্ট তার স্থান করে নিচ্ছে। ১৯৯০ সালের আগে শুধুমাত্র বড় বড় কটি জেলাতেই প্রতিনিধি ছিল। এখন যেমনটা দেখা যাচ্ছে জেলা উপজেলা, এমনকি শহর-বন্দর প্রতিনিধিও রয়েছে অনেক পত্রিকায়। এছাড়া প্রায় সব পত্রিকাই বিভাগীয় শহর এমনকি গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতেও স্টাফ রিপোর্টার নিয়োগ দিয়েছে। যারা ফুলটাইম সাংবাদিকতা করছেন। দিনরাত ছুটছেন সংবাদের পেছনে। ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যাচ্ছেন ঘটনাস্থলে। টিভিতে লাইভ দেখানো হচ্ছে সে সব ঘটনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর