Logo
শিরোনাম :
২৮ হাজার ইয়াবাসহ র‌্যাবের হাতে ধরা বাসের সুপারভাইজার ইঁদুর-সাপ খাচ্ছে মিয়ানমারের বাসিন্দারা সীতাকুণ্ডে অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুবক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ কুতুবদিয়া উত্তর ধূরুং আল-নূর একতা সংঘের নির্বাচন সম্পন্ন বান্দরবানে মন্ডপে মন্ডপে চলছে দুর্গাপূজা পার্বত্য মন্ত্রী পরিদর্শন করলেন পূজা মন্ডপ পেকুয়ায় মারপিটের ঘটনায় আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, এলাকায় বিক্ষোভ পোকখালী ইউনিয়ন ও হাইস্কুল শাখা ছাত্রলীগ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা ঈদগাঁও মেহেরঘোনা সোস্যাল এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ও চিকিৎসা সেবা রাজাপালং ইউনিয়ন ১ ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সম্মেলন সম্পন্ন নাটোরে পরিষ্কার পরিছন্নতা কর্মসূচি’র উদ্বোধন

কিশোরীর ইজ্জতের মূল্য ৩০হাজার টাকা!

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ / ৪৮ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পিতা রিক্সাচালক, দিনে এনে দিনে খেতে হয়। সতিত্ব হননকারী প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কিছুই করা যাচ্ছেনা। হতদরিদ্র এই পরিবারের কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েও জনপ্রতিনিধির বিচারের নামে প্রহসন হওয়ায় সুবিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, পরিবারের সদস্যদের মূখে অন্ন তুলে দেয়ার লক্ষ্যে পিতা ছৈয়দ আলম রিক্সা নিয়ে বেরিয়ে পড়ে রাস্তায়। মা খুরশিদা বেগম পার্শ্ববতী এক আত্মীয়ের বাড়ীতে যান। এ অবস্থায় রামু ধোয়াপালং এলাকার প্রভাবশালী পরিবারের বখাটে সন্তান মেহেদী হাসান বাপ্পি ঐ ঘরে প্রবেশ ও জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে কিশোরী (১৫) কন্যাকে। স্থানীয়রা ঘটনার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ওইসময় আটক করে লম্পট বাপ্পিকে। আটকে রাখে তার মোটর সাইকেলটিও। গরীবের ঘরে ঢুকে অনৈতিক কাজে জড়ানোর ব্যাপারটি ইউপি সদস্য ছৈয়দ আলম সুলতানসহ গ্রামের লোকজন অবগত হন। এবিষয়ে ছেলের অভিভাবকরা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বিচারে বসে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা বলে খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে ছেড়ে দেয়া হয় ধর্ষক বাপ্পিকে। এ ঘটনার সুষ্টু বিচার পেতে থানায় যাবার সামর্থ্য যেহেতু রিক্সাচালক পিতার নেই, তাই জনপ্রতিনিধিদের কথায় বিশ্বাস রেখে সুবিচার পাবার অপেক্ষায় থাকেন গরীব পিতা ছৈয়দ আলম। কিশোরীর পিতা ইউপি কার্যালয়ে হাঁটতে হাঁটতে দিন-সপ্তাহ ও মাস শেষ করেছেন। ইতোমধ্যে হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই ঘটনা জেনে স্থানীয়দের মূখ জবানিও নিয়েছেন। তবে রহস্যজনক কারণে তিনি ঘটনার তদন্তে যাননি বলে দাবী করেছেন। পরিশেষে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ ধর্ষণকারী বাপ্পিকে আইনের কাছে তুলে না দিয়ে ধর্ষিতা মেয়েকে সতিত্বের মূল্য বাবদ ৭০হাজার টাকা জ্বরিমানা দিতে প্রস্তাব দিলে ছেলে পক্ষ ৫০হাজার টাকা প্রদানে সম্মত হয়। এজন্য মেয়ে ও ছেলের কাছ থেকে ইউপি কার্যালয়ে ৩০০টাকা মূল্যের ননজুডিশিয়াল স্টাম্পে দস্তখত নিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে ধর্ষক বাপ্পির অভিভাবক (চাচা) মানবপাচার মামলার আসামি আবদুল গফুর ৩০হাজার টাকা প্রদান করে ২০হাজার টাকা না দিয়ে রিক্সাচালকের পরিবারকে উল্টো হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ধর্ষণের বিচার করেননি দাবী করে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ বলেন, পর্যটন এলাকা হিসেবে সেখানে গেলে অন্য ছেলেরা বাপ্পিকে আটকে রাখে। তিনি এ ধরণের বিচার সমাধান দেননি বলে দাবী করেছেন।

সূত্র,দৈনিক জনকণ্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর