Logo
শিরোনাম :
ইসলামপুরে ফুটবল টূর্নামেন্টের ফাইনালে……. জালালাবাদ ও খুটাখালীকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা ফ্রান্সে বিশ্বনবীর ব্যঙ্গ চিত্র প্রকাশ, বিক্ষোভ ঈদগাঁওতে গোদাগাড়ীতে উপজেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও ছাত্র/ছাত্রীদের বাইসাইকেল শিক্ষাবৃত্তি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রী প্রদান গোদাগাড়ীতে পৌরসভা নির্বাচনে প্রথমবার মতো মহিলা প্রার্থী শাহনাজ আখতার ঈদগাঁওতে ডা: মোস্তাফা সরওয়ার সাদেকের পিতার মৃত্যু : বিভিন্ন মহলের শোক পেকুয়ায় চাঁদা না দেয়ায় প্রবাসীকে পিটিয়ে জখম, স্থাপনা নির্মানে বাধা অনলাইন গণমাধ্যমগুলোকে শিল্পে পরিণত করা উচিত বান্দরবানে ৬ কোটি টাকার ১১ টি প্রকল্প উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী গোদাগাড়ীর পিরিজপুরে জাগ্রত কালি মন্দির প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো গর্জনিয়ায় এক দিন মজুরের মৃত্যু !!

টাঙ্গাইলে মির্জাপুরে নদীগর্ভে বিলীন বিদ্যালয়ের একাংশ

মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:- / ৪২ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে লৌহজং নদীর ভাঙনে গুনটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে দুই শতাধিক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন শিক্ষক ও এলাকাবাসী।

ভাঙন ঠেকানো না গেলে ওই ভবনসহ বিদ্যালয়ের নতুন ভবন ও নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি হুমকির মুখে পড়বে।

সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার পাকুল্যা-লাউহাটি সড়কের গুণটিয়া লৌহজং নদীর তীরে গুণটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। এমনিতেই নদীর তীর ঘেঁষা হওয়ায় ঝুঁকিতে রয়েছ বিদ্যালয়টি। তার ওপর প্রতি বছর শুকনো মৌসুমে নদীর কিনারায় চলে মাটি কাটার মহোৎসব আর বর্ষা এলেই চলে অবৈধ বালি তোলার প্রতিযোগিতা। বেশ কয়েক বছর ধরে মাটি ও বালি লুটেরাদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলেও কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।

এ অবস্থায় দীর্ঘ সময় পর চলতি বন্যায় বিদ্যালয়টি পানিতে তলিয়ে যায়। বন্যার পানি নামতেই শুরু হয় বিদ্যালয় ঘেঁষে নদী ভাঙন। ভাঙনের একপর্যায়ে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

ভাঙন অব্যাহত থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই ভবনটি পুরোটাই নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। হুমকিতে পড়বে পাশের নতুন ভবন এবং ওই নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি।

গুণটিয়া গ্রামের বাসিন্দা তৌফিকুর রহমান তালুকদার রাজিব বলেন, প্রতি বছর ড্রেজার দিয়ে বালি তোলার ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে গেছে। যে কারণে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। আর সেই ভাঙনের কবলে পড়ে বিদ্যালয়টি নদীতে বিলীন হচ্ছে এবং ঝুঁকিতে রয়েছে নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু সুকুমার সাহা জানান, আটজন শিক্ষক ও দুই শতাধিক শিশু শিক্ষার্থী নিয়ে বিদ্যালয়ের পাঠদান চলে আসছে। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান ও ফলাফল সন্তোষজনক।

বিদ্যালয়টি লৌহজং নদীর পাশে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকির মধ্যে ছিল। এ বছরের দীর্ঘস্থায়ী বন্যার পানির প্রবল স্রোতে বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি ভবন এবং টয়লেটসহ ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে শিক্ষক ও শিশু শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় বিদ্যালয়টি নিয়ে চরম হতাশায় রয়েছেন।

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শিরীন আক্তার বলেন, নদী ভাঙনের ফলে বিদ্যালয়ের একটি ভবন নদীতে বিলীন হওয়া শুরু হয়েছে। নতুন ভবনটি নিয়েও আমরা চিন্তিত।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, আট নম্বর গুনটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন ও শিশুদের ব্যবহারের জন্য একটি টয়লেট নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এদিকে বুধবার ভাঙনকবলিত এলাকা এবং বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুর রহমান ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আলমগীর হোসেন। তারা বিদ্যালয় রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর