Logo
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাগঞ্জের শিবগন্জে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ইসলামপুরে ফুটবল টূর্নামেন্টের ফাইনালে……. জালালাবাদ ও খুটাখালীকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা ফ্রান্সে বিশ্বনবীর ব্যঙ্গ চিত্র প্রকাশ, বিক্ষোভ ঈদগাঁওতে গোদাগাড়ীতে উপজেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও ছাত্র/ছাত্রীদের বাইসাইকেল শিক্ষাবৃত্তি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রী প্রদান গোদাগাড়ীতে পৌরসভা নির্বাচনে প্রথমবার মতো মহিলা প্রার্থী শাহনাজ আখতার ঈদগাঁওতে ডা: মোস্তাফা সরওয়ার সাদেকের পিতার মৃত্যু : বিভিন্ন মহলের শোক পেকুয়ায় চাঁদা না দেয়ায় প্রবাসীকে পিটিয়ে জখম, স্থাপনা নির্মানে বাধা অনলাইন গণমাধ্যমগুলোকে শিল্পে পরিণত করা উচিত বান্দরবানে ৬ কোটি টাকার ১১ টি প্রকল্প উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী গোদাগাড়ীর পিরিজপুরে জাগ্রত কালি মন্দির প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো

সাংবাদিকতার রকমফের

ডেইলী উখিয়া নিউজ ডেস্কঃ / ৫২ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

শামীমুল হক

কিছু মফস্বল সাংবাদিক আছেন যারা ডিসি, এসপি, ইউএনও কিংবা ওসি’র গাড়িতে ঘুরে বেড়ান। সময় ও সুযোগ মতো তারা তদবিরে নেমে পড়েন। কেউ কেউ দিনরাত থানায় পড়ে থাকেন। করেন পুলিশের দালালি যা লজ্জাজনক, দুঃখজনক। এ সংখ্যা হাতেগোনা হলেও এর প্রভাব পড়েছে গোটা সমাজে। এতে করে সাংবাদিকতার ওপর অন্যরকম মনোভাব এসে যায় জনমনে। তবে এদের বেশিরভাগ নামধারী সাংবাদিক। পত্রিকার ঠিক নেই। আজগুবি পত্রিকার কার্ড নিয়ে এসব করেন। এখানে একটি প্রশ্ন কোন সাংবাদিক কি অসৎ হতে পারে? না, পারে না। তবে যারা সাংবাদিকতার নামে দুর্নীতি করেন তারা সাংবাদিক নন। সাংবাদিক নামের কলঙ্ক। ২/১ জন হলুদ সাংবাদিকের জন্য গোটা সাংবাদিকদের দুর্নামের বোঝা বইতে হচ্ছে। খবর আসে, অনেক সাংবাদিক আছেন যারা যে কোন খবর পাঠাতেই টাকা নেন। টাকা ছাড়া তারা সংবাদ মফস্বল ডেস্কে পাঠান না। এমনও অনেক আছেন যারা পত্রিকার কার্ড নিয়ে, পত্রিকার নাম ভাঙিয়ে নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। থানা, চোরাচালানি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজরা ওই সাংবাদিককে মাসিক মাসোহারা দেয়। উদ্দেশ্য একটাই সাংবাদিক যেন তাদের কুকর্মের কথা পত্রিকায় না লেখেন। এক্ষেত্রে ওই সাংবাদিকও তাদের সহকর্মী, সহযোগী হয়ে যান।

ব্যতিক্রম চিত্রও রয়েছে সমাজে। এমন অনেক নির্যাতিত মানুষ নির্লোভ, নিরহঙ্কার, সাংবাদিককে খুঁজে বের করেন। বলেন, তার নির্যাতনের কথা। ওই সাংবাদিক পরম মমতায় নির্যাতিতদের পক্ষে রিপোর্ট করেন। এভাবেই ওই সাংবাদিক হয়ে ওঠেন সকলের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র। ওদিকে আবার একটি প্রতারক চক্রও সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে এ মহান পেশাকে কলঙ্কিত করছে। কোন পত্রিকায় মফস্বলের কোন গ্রামের অপরাধ বিষয়ক রিপোর্ট ছাপা হলে ওই চক্রটি ছুটে যায় সেখানে। তারা অপরাধীকে পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের কাটিং দেখিয়ে অর্থ দাবি করে। কোন কোন ক্ষেত্রে সফলও হয়। আবার কোথাও গিয়ে ধরা পড়ার খবরও আসে। বেশ ক’বছর ধরে গ্রামে-গঞ্জে সাংবাদিক হওয়ার শখ জাগে কিছু উঠতি যুবকের মনে-যাদের কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই।


কিংবা কেউ কোনদিন এক লাইন রিপোর্টও লেখেননি। সাংবাদিকের মর্যাদার কথা চিন্তা করেই তারা সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। বেশ ক’বছর ধরে আন্ডারগ্রাউন্ড কিছু পত্রিকায় সংবাদদাতা আবশ্যক শিরোনামে বিজ্ঞাপন দেখা যায়। এ বিজ্ঞাপন পেয়ে কেউ কেউ ছুটে আসেন ওই পত্রিকা অফিসে। এসেই পড়ে যান একটি চক্রের খপ্পরে। তারা সাংবাদিক বানানোর নামে হাতিয়ে নেন টাকা পয়সা। অর্থের বিনিমিয়ে কার্ড হাতে তুলে দেন ওই সাংবাদিককে। কার্ডধারী সাংবাদিক হয়ে তিনি ছুটে যান গ্রামে। তার দাপটও বেড়ে যায় অনেকগুণ। কিন্তু যে পত্রিকার কার্ড নিয়ে তিনি দাপট দেখাচ্ছেন সেই পত্রিকা কখনও আলোর মুখে দেখেনি। তাদের জন্যই গোটা সাংবাদিক সমাজকে দুর্নাম বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। ২/১ জনের জন্য কেন সবাইকে দুর্নামের বোঝা বইতে হবে? এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য মফস্বল সাংবাদিকদেরই এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু মফস্বল সাংবাদিকদের মাঝেও তো রয়েছে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর