Logo
শিরোনাম :
জালালাবাদ চেয়ারম্যান রাশেদের উপর হামলা, বিক্ষোভে উত্তাল ঈদগাঁও চাঁপাই নবাবগঞ্জে পেট জোড়া লাগানো যমজ শিশুদুটিকে বাঁচানো গেলো না নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩ অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে দিলেও নজর পড়েনি মেম্বার আবুল কালাম,পলাশ বড়ুয়ার ইটভাটায় ইয়ুথ অর্গানাইজেশন অব উখিয়া,র ৬ষ্ঠ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত টেকনাফে গোলাগুলির পর ৫ লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ অস্ত্র-কার্তুজ ও কিরিচ উদ্ধার ঈদগাঁও ছাত্রলীগের কমিটিতে আসতে নেতাদের লবিং তৎপরতা ঈদগাঁওতে লবনের মাঠে পুরোদমে নেমেছে চাষীরা এনজিও চাকরি থেকে রোহিঙ্গাদের বাদ দেয়ার দাবি চট্রগ্রাম বিভাগের (স্বাস্থ্য) সহকারী পরিচালক হলেন ঈদগাঁও সন্তান ডা: কামরুল জেলা আ,লীগের উপদেষ্টা মমতাজ আহমদের সহধর্মীনীর ইন্তেকাল

ঈদগাঁওতে একটি গ্রামে ১৯ প্রতিবন্ধি

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও / ১০৩ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে একটি গ্রামে ১৯ জন প্রতিবন্ধি রয়েছে। তাদের নেই চাকুরী। বেকারত্বে জীবন সংগ্রাম কাটিয়ে দিচ্ছে তারা। অনেকে পরিবার পরিজন নিয়ে দূর্বিসহ কষ্টে দিন পার করছে।

ঈদগাঁও ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড় মধ্যম ও উত্তর মাইজ পাড়ার একটি গ্রামে শারী রিক প্রতিবন্ধীদের একটি দল রয়েছে। তাদের নিয়ে বিপাকে পড়ছেন পরিবার।

প্রতিবন্ধিদের মধ্য রয়েছেন, শামসুল আলম তিনি একজন সুদক্ষ চালক ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় একযুগ পূর্বে সড়ক দূর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়ে তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। সেই থেকে এক পায়ের ভর করে পরিবারের ঘানি টেনে যাচ্ছেন। তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে বর্তমানে দূর্বিসহ দিনযাপন করছেন। সন্তানদের পড়ালেখার খরছ তো দূরের কথা,খাওয়া-দাওয়াতেও সমস্যা হচ্ছে।

রিয়াদ মোহাম্মদ আযাদ তিনি শারিরীক প্রতিবন্ধি। বর্তমানে বেকায়দায় রয়েছে। হাঁটাচলা করতে পারলেও নেই কোন চাকুরী প্রতিবন্ধি কৌটায়। কোন রকম দিন পার করছেন তিনিও।

নুর জাহান,কবির আহমদ,আবদুল্লাহ, জাফর আলম, সাদিয়া মনি, সানিয়া, জসিম উদ্দিন,রবিউল আলম,এরশাদুল হক,রিদোয়ান,রুজিনা আকতার,নুর মোহাম্মদ,লিয়াকত,ফরিদ,নওশাত,নুরু নাহার ও মুসলিমা আক্তার। প্রতিবন্ধি হয়ে তারা সমাজে অন্য দশজনের মত করে চলতে ফিরতে চাই।

এলাকায় ঈদগাঁও প্রতিবন্ধি সংস্থা নামের একটি সংগঠন রয়েছে তাদের। তারা সবাই একত্রি থাকার চেষ্টা করছে। এসব প্রতিবন্ধি নানা সমস্যায় রয়েছে। দীর্ঘকাল দেখার যেন কেউ নেই। অনেকে পরিবার পরিজন নিয়ে বেকায় দায় রয়েছেন। বেকাত্বের বোঝা মাথায় নিয়ে দিন পার করছেন প্রতিবন্ধি।

প্রতিবন্ধি সংস্থার সভাপতি শামসুল আলম জানান, ১৯ জন প্রতিবন্ধির মাঝে দুয়েকজন ছাড়া সবাই সরকারী ভাতা ভুক্ত। তা দিয়ে তো পরিবার আর ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার খরছ বহন করা সম্ভব নয়। প্রতিবন্ধি কৌটায় নেই চাকুরী কারো। তাদের দিকে সু-নজরের দাবী জানান তিনি।

স্থানীয় মেম্বার বজলুর রশিদ জানান, এলাকার প্রতিবন্ধিরা সরকারীভাবে ভাতা ছাড়া অন্য কোন সহায়তা পায়নি। সাধারন লোকজন যেভাবে পাচ্ছে সেই ভিত্তিতে তারাও পাচ্ছে। তাদের জন্য আলাদা কৌটায় বরাদ্দ আসেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর