Logo
শিরোনাম :
ইসলামপুরে ফুটবল টূর্নামেন্টের ফাইনালে……. জালালাবাদ ও খুটাখালীকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা ফ্রান্সে বিশ্বনবীর ব্যঙ্গ চিত্র প্রকাশ, বিক্ষোভ ঈদগাঁওতে গোদাগাড়ীতে উপজেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও ছাত্র/ছাত্রীদের বাইসাইকেল শিক্ষাবৃত্তি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রী প্রদান গোদাগাড়ীতে পৌরসভা নির্বাচনে প্রথমবার মতো মহিলা প্রার্থী শাহনাজ আখতার ঈদগাঁওতে ডা: মোস্তাফা সরওয়ার সাদেকের পিতার মৃত্যু : বিভিন্ন মহলের শোক পেকুয়ায় চাঁদা না দেয়ায় প্রবাসীকে পিটিয়ে জখম, স্থাপনা নির্মানে বাধা অনলাইন গণমাধ্যমগুলোকে শিল্পে পরিণত করা উচিত বান্দরবানে ৬ কোটি টাকার ১১ টি প্রকল্প উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী গোদাগাড়ীর পিরিজপুরে জাগ্রত কালি মন্দির প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো গর্জনিয়ায় এক দিন মজুরের মৃত্যু !!

স্পর্শকাতর স্থানে জনবসতি স্থাপনের দাবী……. ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়ক : উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় মানুুষ

স্টাফ রিপোর্টার, ঈদগাঁও / ৩৭ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০

জেলার ক্রাইম পয়েন্ট খ্যাত ঈদগাঁও ও ঈদগড় সড়কে চলাচলরত মানুষের মাঝে যেন অজানা
আতংক কাটছেনা। চরম উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় রয়েছেন অসংখ্য লোকজন।

সড়কে ডাকাতির ঘটনা কিন্তু নতুন নয়। সড়কটির ঝুকিপূর্ণ স্থানে বহুকাল ধরে ডাকাতি ও অপহরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছুদিন বন্ধ থাকার পর নতুন করে ৮ অক্টোবর কণ্ঠশিল্পী জনিকে পৈশাচিক কায়দায় হত্যার মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

খুনি ডাকাতদের গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে বিভিন্ন স্থানে পৃথক মানববন্ধন,সমাবেশসহ বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্টিত হয়।

ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে স্পর্শকাতর স্থানে জন গনের জানমাল নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে লোকজন স্থায়ী পুলিশ কিংবা বিজিবি ক্যাম্প স্থাপনের দাবী জানান। জীবন যাত্রার প্রয়োজনে সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বৃহত্তম রাবার বাগান প্রকল্পের মূল যাতায়াত পথ হিসেবে এই সড়ক ব্যবহৃত হয়। গুটিকয়েক বিচ্ছিন্ন অপরাধী চক্রের কাছে এতদঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ জিম্মি রয়েছে দীর্ঘকাল ধরে। অপরাধী চক্ররা নানা সময়ে সুযোগ বুঝে সড়কে ডাকাতি এবং খুনের মতো নৃসংসতা ঘটাতে দ্বিধাবোধ করেনা। সড়ক দিয়ে যাতায়াতের সময় সাধারণ জনগণ, চাকরীজিবী,ব্যবসায়ীসহ সাধারন লোকজন ডাকাতি-অপহরনসহ প্রাণনাশের আতঙ্কে থাকে। সড়কের বিপদজনক স্থানে পুলিশ বা বিজিবির ঘাটি স্থাপন করে ডাকাতের জিম্মি দশা থেক মুক্ত করা হউক।

সচেতন ব্যাক্তি দিল মোহাম্মদ জানান, এ সড়কে ডাকাতি দীর্ঘদিনের। প্রসাশনের চেষ্টায় ক্রুটি ছিলনা। তবুও বন্ধ হচ্ছেনা ডাকাতি। উক্ত সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানেই আশ্রয়ন প্রকল্প স্থাপন করলেই ডাকাতি প্রতিরোধ হয়তো সম্ভব।

ঈদগাঁও কানিয়াছড়া কৃষক সমিতির সভাপতি বি আর হাসেমী বদরু জানান, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানেই
বিজিবি ক্যাম্প অথবা জনবসতি স্থাপন করলে ডাকাতি প্রতিরোধ সম্ভব হতে পারে।

ঈদগড়ের আবু তাহের নামের এক ব্যক্তি জানান,
এ সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পাহাড়ের জঙ্গল পরি স্কার করে দুর থেকে বহু দূরে দেখা যাওয়ার মত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। পাশাপাশি স্থায়ীভাবে ক্যাম্প করলেই ডাকাতি এবং অপহরন বন্ধ হতে পারে।

ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল হালিম জানান, এই সড়কে পুলিশী টহল অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর