Logo

অস্তিত্বহীন ঈদগাঁওর ঐতিহ্যময় ভরাখাল……

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও / ১১৮ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০

দখল ও ভরাটে বিপন্ন সদরের ঈদগাঁওর ঐতিহ্য বাহী ভরা খালটি। দীর্ঘকাল ধরে দেখার কেউ না থাকার খালের উপর ঘরবাড়ী আর দোকানপাঠ নির্মানের হিড়িক যেন অব্যাহত । এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে খালের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ার আশংকায় স্থানীয়রা।

সূত্র মতে, এই খাল দিয়ে একসময়ে পাল তোলা নৌকা চলাচল করত। বর্তমানে খালের অস্তিত্ব বিলুপ্তির পথে। চলছে একের পর এক খাল দখলের মহোৎসব। কালের পরিক্রমায় সে খালের বুকে এখন পাকা-আধা-পাকা দালানে সমারোহ। দখলের থাবায় খাল এখন নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে মরা খাল উপাধি লাভ করেছে। খনন করে খালটি স্বচল করার দাবী এলাকা বাসীর।

দেখা যায়, ঈদগাঁও মেহেরঘোনা জলনাসী যেটি উত্তর-মধ্যমসহ দক্ষিন মাইজপাড়া হয়ে চৌফলদন্ডীর বুক চিরে মহেশখালী চ্যানেল দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিলিত হয়। এখন সে চির চেনা বৃহত্তর এলাকার খালটি নানাভাবে বেদখলে চলে গেছে। কেউ করেছে খালের পাশ ঘেঁষে দালান, কেউ করেছে দোকান ঘর। ফলে খালটি অস্তিত্বহীন।

স্থানীয় লোকজন জানান, এখন খাল বেদখল, পানি ও মাছ শুন্য। ক্ষীণধারা বয়ে যাওয়া খালে দুই ধারে এখন গড়া দোকান পাট এবং পাকা দালান। দখল আর দূষণের থাবা থেকে খালটি কে মুক্ত করে খনন করা না হলে আগামীতে এসব খালের কোন স্মৃতি চিহ্ন খোঁজে পাওয়া যাবেনা। প্রতিবর্ষা মৌসুমে পানি সুষ্টভাবে চলা চল করতে না পারায় দুকুলই পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ে। পানি যাতায়াতের সুব্যবস্থা না থাকায় সারাক্ষন পানিবন্দি থাকে হাটা চলার পথও।

বয়োবৃদ্ব আহমদ হোসন জানান, এটি এক সময়ে বড় খাল ছিল। খাল দিয়ে নৌকা ও সাম্পান চলাচল করতো,মাছও পাওয়া যেত বলে শুনে ছেন তিনি। অব্যবস্থাপনা কারণে পানি প্রবাহ হারানো খালটি এভাবে দখলে চলে যাচ্ছে। খাল উদ্ধারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তড়িৎ পদক্ষেপ এখন সময়ের গনদাবী।

পবিবেশবাদী সংগঠক কাফি আনোয়ার জানান, অবিলম্বে খালটি দখলমুক্ত করে খননের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা না গেলে এই খাল অস্তিত্বহীন হয়ে পড়বে। বন্যা জলাবদ্বতাসহ নানামুখী দূর্ভোগের কবলে পড়বে সুবিধাবাদী লোকজন।

সাবেক মেম্বার ছুরুত আলম জানান, বিগত কয়েক বছর পূর্বেও ঈদগাঁওর মাইজ পাড়ার বাইন্যা খালটি খননের মাঝপথে বাঁধা আসায় খনন না করে কৌশলে সটকে পড়েছিল খননের কাজে নিয়োজিত লোকজন।

ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও নাশী খাল সংরক্ষন, উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ছৈয়দ আলম জানিয়েছেন, এই ভরা খালটি খনন কল্পে প্রকল্প প্রদান করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর