Logo
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস স্বাধীনতার ৫০ বছর পর বাড়ি পাচ্ছেন উখিয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা দুদু মিয়া চিরতরে বন্ধু সংগঠন উখিয়া উপজেলা শাখার শপথ গ্রহণ,সংবর্ধনা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত চৌফলদন্ডীতে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের আনুষ্টানিক উদ্বোধন উখিয়ায় ইয়াবা সিন্ডিকেট পিতা-পুত্রের সন্ত্রাসী হামলায় ৩ এনজিও কর্মকর্তা আহত শীতবস্ত্র বিতরন উপলক্ষে…… মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ফাউন্ডেশনের প্রস্তুতি সভা উখিয়ায় সবজি বাজারে এখনো ফেরেনি স্বস্তি শিমুল ধর্মীয় পরিচয়ে গোপন করে মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজিয়ে মুসলিম নারীকে ফাসিয়েছে সংবাদ সম্মেলনে নাজনীন পোকখালী যুবলীগের কাউন্সিলে আমজাদ সভাপতি, ইত্তেহাদ সম্পাদক নিবার্চিত কক্সবাজারে ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশ’–ভ্রমণকন্যা সংগঠনের ৪র্থ বর্ষপূর্তি উদযাপন

উখিয়ার বালুখালীতে ছৈয়দ নুর বাহিনী ফের বেপয়োরা,প্রতিনিয়ত দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত মহড়া,আতংকে লোকজন

বার্তা প্রতিবেদকঃ / ৭৫ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালীতে চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি ছৈয়দ নুর বাহিনীর বেপরোয়া আচরণে এলাকার নিরীহ-সাধারণ মানুষ আতংকে জীবনযাপন করছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদক বিরোধী অভিযান ও করারোপ না থাকার সুযোগে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সীমান্তের শীর্ষ স্থানীয় মাদক কারবারি ছৈয়দ নুর সিন্ডিকেট।
তাঁর সিন্ডিকেটের আপন ভগ্নিপতি মৃত আবু বক্করের ছেলে মাহমদুল হক ওরপে বার্মাইয়া মাহমদুল হক গত কয়েক মাস পূর্বে ইয়াবা নিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেলে থাকলেও ইয়াবা পাচার,মাদক পাচার,
চোরাচালান সহ অপকর্মে ভাটা পড়েনি।মাহমদুল হকের নামে উখিয়া থানায় দুইটি মাদক মামলা রয়েছে,যার নং ২৪/১৯,তারিখ-১৯/১২/২০১৯অপরটি ৩০/৭।ছৈয়দ নুর সিন্ডিকেটে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বহু ইয়াবা মামলার আসামী বালুখালী জুমের ছড়ার মৃত ছৈয়দ মোস্তফার ছেলে ফরিদ আলম,ভাই জাফর আলম।তাঁরা দুই ভাই ইয়াবাসহ আটক হয়ে জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে ফের অপকর্মে মেঠে উঠেছে।
দক্ষিণ বালুখালী জমিদার পাড়ার বিএনপি নেতা আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে সাবেক ছাত্রদলের নেতা রিদুয়ান সিদ্দিকী,পূর্ব পাড়ার মোঃআয়ুব মেম্বারের ছেলে ইকবাল,শিয়াইল্যা পাড়ার ইয়াকুব আলীর ছেলে আকবর আহমদ গ্রুপের নিয়ন্ত্রনে চলে ইয়াবা,মাদক
,চোরাচালান ব্যবসা।
রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রীক নানা অবৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে গড়ে তুলেছে বিশাল বাহিনী। যাদের হাতে রয়েছে দেশী অস্ত্র। প্রায় সময় তাঁরা বালুখালীতে আধিপত্য বিস্তার করে চলছে।কথায়-কথায় মানুষ কে হেনস্তা করা থেকে শুরু করে ভাড়াটিয়া দাঙ্গাবাজ লাটিয়াল বাহিনী হিসেবেও ব্যবহার হয়ে থাকে।এসবে নেতৃত্বে রয়েছে ছৈয়দ নুর।তাকে প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষ মদদ দিয়ে যাচ্ছে পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজল কাদের ভুট্রো। ছৈয়দ নুর বাহিনীর নানা অপকর্মের ধারাবাহিকতায় গত ২৪ অক্টোবর সকাল ৯ টায় বালুখালী পানবাজারস্থ ফজলুল হকের কুলিং কর্ণারে চা পানরত অবস্থায় পালংখালী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান,মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নুরুল আবছার চৌধুরী কে বিনা অজুহাতে পূর্বের আক্রোশের জের ধরে হামলা করে আহত করা হয়।এসময় নুরুল আবছার চৌধুরীকে হামলার খবর পেয়ে তাঁর আত্নীয়-স্বজন এগিয়ে গেলে তাদের উপরও স্বশস্ত্র হামলা চালানো হয়।
এতে নুরুল আবছার চৌধুরী(৩৫), ছাড়াও হাজী আবদুল মজিদের ছেলে মনির আহমদ ভুলু(৩৮),২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেতা মোঃ শাকিল,উখিয়া কলেজ ছাত্রলীগের মোঃরিফাত(১৮),কবির আহমদের ছেলে শাহজাহান গুরুতর আহত হয়।ওইদিন বালুখালী পুরান বাজারের ভিতরে জাফর আলম চৌধুরী গোরা মিয়ার হোটেলে ছৈয়দ নুরের নেতৃত্বে স্বশস্ত্র সংঘবদ্ধরা ২ দফা হামলা চালায়। এতে গোরা মিয়ার দোকানে ভাংচুর,লুটপাট চালায়।ক্ষতিগ্রস্ত হোটেল মালিক গোরা মিয়া চৌধুরী ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় এজাহার দায়ের করে।
এজাহারে বালুখালী বানুরখিলের মৃত নুর আহমদের ছেলে ছৈয়দ নুর(৩৪),আলমগীর(৩১)বালুখালীর জুমের ছড়ার মৃত ছৈয়দ মোস্তফার ছেলে নুরুল আলম(৪৫), ফরিদ আলম(৩২),দক্ষিণ বালুখালী জমিদার পাড়ার আবু বক্কর সিদ্দিকীর ছেলে রিদুয়ান সিদ্দিকী (২৮),পূর্ব পাড়ার মৃত ছৈয়দ নুরের ছেলে শাহাদাৎ উল্লাহ(৪৮),সিদ্দিক আহমদের ছেলে বুজুরুস মিয়া(৪৭),১ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পাড়ার মাষ্টার ফজলুল হকের ছেলে জিয়াউল হক বাপ্পী(৩২),মোঃআয়ুবের ছেলে ইকবাল হোসেন(২৮),শিয়াইল্যা পাড়ার মৃত হোছন আলীর ছেলে ফজল কাদের ভুট্রো (৪৫),মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে আকবর আহমদ (৪৭),জসিম উদ্দিন(২৮),বালুখালীর ছড়ার আজম উল্লাহর ছেলে সোনা মিয়া(৩৭),একই সাকিনের বশির আহমদের ছেলে আবদুর রহিম লালু(৩৭), জুমের ছড়ার মৃত ছৈয়দ মোস্তফার ছেলে জাফর আলম(৪০), বানুর খিলের ছৈয়দ নুরের ছেলে নুরুল আজাদ আশিক( ২৮),শিয়াইল্যা পাড়ার মোঃ হোছাইনের ছেলে আবু তাহের(৪০),মোঃ কাসেম(২৬)সহ ১৪/১৫ জন কে অভিযুক্ত করা হয়।
ঘটনা সংঘঠিত হওয়ার পর থেকেই বালুখালী, পানবাজার স্টেশনে প্রতিনিয়ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে মহড়া দিচ্ছে ছৈয়দ বাহিনী।এতে স্থানীয় নিরীহ লোকজন, ব্যবসায়ী ছাড়াও নুরুল আবছার চৌধুরীর পক্ষীয় লোকজন ভয়ে আতংকে দিনরাত পার করছে।
প্রসঙ্গতঃ ছৈয়দ নুর, মাহমদুল হক সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই। মাহমদুল হক জেলে থাকলেও নতুন করে বাহিনীর সদস্য বাড়াতে পেশাদার ইয়াবা কারবারি, চোরাচালানি,দূস্কৃতকারী লোকদের দলে ভিড়াচ্ছে।
শ্যালক-দুলাভাইয়ের বহুমুখী অপকর্মের যেন শেষ নেই।হাল সময়ে ইয়াবা,মাদক পাচার,চাঁদাবাজি,পাহাড় কেটে মাটি বাণিজ্য সহ রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক আল ইয়াকিন সন্ত্রাসী গ্রুপের সাথে সখ্যতা রেখে হরদম চালিয়ে যাচ্ছে নানা অপকর্ম।আর এসব অপকর্মে যারা জড়িত, তাঁরাই কোন না কোনভাবে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা পুরনো রোহিঙ্গা।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, পালংখালী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বানুর বাপেরখিলের বাসিন্দা স্বাধীনতা পরবর্তী মিয়ানমার পালানো মৃত নুর আহমদের ছেলে ছৈয়দ নুর পেশায় ছিল চাঁন্দের গাড়ীর হেলপার।গাড়ী শ্রমিক থাকতে ঢাকা- চট্রগ্রাম কেন্দ্রিক মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ে।পরবর্তী ইয়াবার উছিলায় গাড়ীর হেলপার থেকে ভাগ্যের চাকা ঘুরে কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনেছে।মাদকের উত্থান থেকে ধীরে ধীরে অবৈধ ব্যবসায় এগোতে থাকে সে।গত ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা ঢলে বালুখালী ১১ নাম্বার ক্যাম্পের হেডমাঝি আরিফ উল্লাহর সাথে ছৈয়দ নুরের গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।ইয়াবা কেনার টাকা ও হুন্ডির টাকা আরিফ উল্লাহ বরাবর পৌছে দিতো ছৈয়দ নুর।দুজনের মধ্যে বিশ্বস্থতার মাঝে আরিফ উল্লাহ’র বিপুল টাকা ও স্বণালংকার জমা ছিল ছৈয়দ নুরের নিকট। আরিফ উল্লাহর টাকায় ছৈয়দ নুরের নামে কেনা ডাম্পার গাড়ী ছৈয়দ নুরের হেফাজতে ছিল।প্রায় কোটি টাকা আত্নসাত করতেই আরিফ উল্লাহকে কৌশলে হত্যার কলকাঠি নাড়ে ছৈয়দ নুর।আরিফ উল্লাহ হত্যার পেছনে ছৈয়দ নুরের গোপন ইন্দন ছিল বলে জনশ্রুতি আছে এলাকায়।আরিফ উল্লাহকে হত্যার পর তাঁর গচ্ছিত কোটি টাকা হজম করে গাড়ী,বাড়ীর মালিক ছাড়াও বৈধ-অবৈধ সব ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য এখন ছৈয়দ নুরের হাতে।নানামুখী ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে ছৈয়দ নুরের রয়েছে ৫২ সদস্যের একটি সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেটে শ্রমিক পরিচয়ে বেশ কিছু পেশাদার দুস্কৃতকারী লোকজন বাড়িয়ে পেশী শক্তির উত্থান ঘটাচ্ছে।
যে সিন্ডিকেটের সদস্যরাই নিয়ন্ত্রণ করছে বালুখালীর সব অবৈধ ব্যবসা।ছৈয়দ নুরের নিয়ন্ত্রিত সিন্ডিকেটের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ভগ্নিপতি বার্মাইয়া মাহমদুল হক।বর্তমানে সে মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারান্তরীন রয়েছে।
আপন সহোদর ছোট ভাই আলমগীর,সাবেক ছাত্রদলের নেতা রিদুয়ান সিদ্দিক ও ইকবাল হোসেন,ফজল কাদের ভুট্রো, ফরিদ আলম,নুরুল আলম,সোনা মিয়া,আকবর আহমদ,আবু তাহের।শ্যালক-ভগ্নিপতি দুজনই রোহিঙ্গা বংশভুত হওয়ায় ক্যাম্প কেন্দ্রিক অবৈধ ব্যবসা সহজ হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবি এবং ঘুমধুম পুলিশ ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ও তিনজনকে আটক করে।উক্ত ইয়াবার চালান হাত বদল হয়ে ছৈয়দ নুর সিন্ডিকেটের নিকট পৌছাতো বলে গোপন সুত্রে জানা গেছে।
সিন্ডিকেট সদস্যদের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিকট থেকে জোরপূর্বক কিনে নিচ্ছে ত্রাণের চাল,ডাল,ভোজ্য তৈল,ত্রিপল,গাছ,বাঁশ সহ নানা খাদ্যপণ্য সামগ্রী।এতে প্রতিমাসে সিন্ডিকেটের আয় অন্তত ২০থেকে ৩০ লাখ টাকা।সিন্ডিকেট ভিত্তিক রোহিঙ্গাদের ত্রাণ কেনার কারণে রোহিঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর হতদরিদ্র মানুষ কিছুই কিনতে পারেনা।নিজেদের পরিবারের জন্য রোহিঙ্গার নিকট থেকে চাল কিনতে গিয়ে ছৈয়দ নুরের সহোদর ভাই আলমগীরের হাতে হেনস্তার শিকার হয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা বদিউর রহমান শিকদার ও সেলিম সহ অনেকেই।
এসব নিয়ে প্রতিবাদ বা টু শব্দ করার সাহস করার কেউ নেই।কারণ ছৈয়দ নুর সিন্ডিকেট শক্তিশালী এবং অস্ত্রধারী।সাথে আছে সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার গোপন মদদ।প্রকাশ্যে মদদ দিচ্ছে পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজল কাদের ভুট্রো।
সিন্ডিকেটের অধিকাংশ সদস্য হাঙ্গামা প্রিয় লোক।অনেকের নামে রয়েছে বিভিন্ন অপরাধের মামলা।এসব সদস্য দিয়ে বালুখালী পানবাজারে প্রায়শঃ হামলার ঘটনায় ব্যবহার হয়ে থাকে।এসব সদস্যরা ছৈয়দ নুরের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক ইয়াবা,মাদক,চোরাই পণ্য পাচার ও সরবরাহ করে থাকে।আবার স্বশস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের প্রয়োজনীয় দেশীয় অস্ত্রের যোগান দিয়ে থাকে বলে সুত্রে জানা যায়।এক সময়ের গাড়ীর হেলপার ছৈয়দ নুরের বহু অপরাধের হাফ ডজন মামলা রয়েছে বিভিন্ন থানায়।
যার মধ্যে মহেশখালী থানায় এফআইআর নং-১০,তারিখ-০৮/০৮/২০১৪, জিআর নং-২৫৪/১৪,ধারা -৯(৪)(খ)/৩০, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩, এজাহারভুক্ত আসামী,উখিয়া থানার এফআইআর নং- ৩/২৩৪,তারিখ-০৩/০৭/২০১৮ ইংরেজী,ধারা- ১৪৩/১২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬;৩৭৯,পেনাল কোড- ১৮৬০,বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানার এফআইআর নং-২/৩৩,তারিখ-১২/০৫/২০১৭ ইং,জিআর ১৪৪/১৭,ধারা ১৯(১)এর ৯(খ) ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামী পিসিপিআর,উখিয়া থানার এফআইআর নং-২২,তারিখ-২১/০১/২০১৭ ইং,জিআর নং-২২/১৭, ধারা১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৪২৭/৪৪৮/৩৮০/৫০৬ পেনাল কোড-১৮৬০,উখিয়া থানার এফআইআর নং-৩১/১৪,তারিখ-৩০/০৭/২০১৪ ইং,ধারা- ৩৭৯/৩২৩/১৪৩ পেনাল কোড-১৮৬০। সর্বশেষ বালুখালীর জমিদার পাড়ার লতিফুন্নেছা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন থেকে অবৈধ ভাবে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগে উখিয়া থানায় পরিবেশ আইনে ছৈয়দ নুরের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা রুজু করেছে।যার নং- ৮/২০২০, তারিখ- ০৭/০৭/২০২০ ইংরেজী। ছৈয়দ নুর শুধু ইয়াবা নয়,অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি বাণিজ্যেও মেতে ওঠেছে।তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠেছে মাটি খেকো সিন্ডিকেট। অবৈধভাবে পাহাড় কেটে  মাটি বাণিজ্যের দায়ে  পরিবেশ আইনে মামলা হয়েছে উখিয়া থানায়।তাতে ছৈয়দ নুর, সিন্ডিকেটের আরো কয়েকজনের নামে মামলাটি দায়ের করা হয়।এক এক আধিপত্যবাদের অংশ হিসেবে সৈয়দ নুর বালুখালী পানবাজারে সিএনজি,টমটম অটোরিকশা থেকে দৈনিক হারে সিন্ডিকেট সদস্য দিয়ে চাঁদাবাজিও করে যাচ্ছে।ওইসব চাঁদা আদায় করছে জনৈক আবদুর রহিম লালু নামের এক ব্যক্তি।ছৈয়দ নুর সিন্ডিকেট বরাবরই সুবিধাভোগীর তালিকায় অবস্থান নেয়।উখিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য, আসন্ন কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী (নাম প্রকাশ না শর্তে) বলেছেন ,রোহিঙ্গার কারণে স্থানীয়রা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত, রোহিঙ্গাদের ত্রাণ কেনার জন্য গেলে ছৈয়দ নুর সিন্ডিকেটের কারণে কেনা যায় না।তাঁরা জিম্মী করে পানির দরে জোরপূর্বক কিনে নেয়।ছৈয়দ নুর আবার বিএনপি দাবী করছে,অথচ গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিতদের গলা ধাক্কা দিয়ে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছিল।সেই ছৈয়দ নুর বিএনপি এবং আওয়ামীলীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে এসব অপকর্ম হালাল করে চলছে।তাঁর অপকর্ম দিব্যি চালিয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভুমিকা রহস্যজনক।ইতিপূর্বে কাউন্টার টেররিজম টীম ছৈয়দ নুর,বাপ্পি সহ ৪ জন কে ধরে নিয়ে গেলেও কয়েকদিন পর রহস্যজনক কারণে পার পেয়ে যায়।
সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনায় বালুখালীর শান্তিপ্রিয় জনসাধারণ কে ভাবিয়ে তুলেছে।অবিলম্বে বালুখালীতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিকারী ছৈয়দ নুর বাহিনী ও তাঁর মদদদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী উঠেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে,পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজল কাদের ভুট্রো জানান,তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ মিথ্যা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর