Logo
শিরোনাম :
ঈদগাঁওর সাংবাদিক আজাদ মনসুরের পিতার মৃত্যু : শোক প্রকাশ  কক্সবাজারে ২০ কেজি গাঁজা নিয়ে নারীসহ আটক দুই কর্মসংস্থানের জন্য স্থানীয়দের প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলবে সরকার- মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর পরিদর্শনে হানিফ মহেশখালীর বসতবাড়ীতে আগুন,প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ-৮ লক্ষ টাকা চকরিয়ার জনসভায় আ.লীগের যুগ্ন-সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে মহেশখালীতে পরকিয়া প্রেমের টানে গৃহবধূ উধাও  ভাসানচর ঘুরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যা বললেন ইউসেফ আল দোবেয়ার কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু-বাংলাদেশ কর্ণার’ ও ‘স্বাধীনতা মঞ্চ’ উদ্বোধন বান্দরবানে ২৭ কোটি ৬৩ লাখ ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন কক্সবাজারে ২ পিকআপ সংঘর্ষে পথচারী নিহত

ধর্ষনের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন, ধর্ষিতাকে দেওয়া হবে লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ৮৭ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০

শিশু ধর্ষণের দায়ে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ জজ) জেবুন্নেসা আয়শা একজন’কে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেছেন। অর্থদন্ড আদায়ের পর ধর্ষিতাকে তা ক্ষতিপূরণ হিসাবে দিতে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো এক বছর সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ বিচারক। সোমবার ৭ ডিসেম্বর সকালে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর স্পেশাল পিপি এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামীর নাম মোহাম্মদ ইসলাম, তার পিতার নাম মৃত আলী হোসেন। তার বাড়ি চকরিয়া উপজেলার করাইয়া ঘোনা, সাহবুদ্দিন বৈদ্যের বাড়ি। ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত-২০০৩ সাল) এর ৯(১) ধারা অনুযায়ী বিজ্ঞ বিচারক এ সাজা প্রদান করেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ হলো-২০১৭ সালের ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৩ দিকে রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের মা-হাদ নুরানী মাদ্রাসা সংলগ্ন মসজিদের ভিতর এনে মাত্র ৭ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষন করে। এঘটনায় একইদিন রশিদনগর ইউনিয়নের পানিরছড়া নতুনবাজার এলাকার জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে রামু থানায় মামলা একটি দায়ের করেন। জিআর মামলা নম্বর ২৭/২০১৭ ইংরেজি (রামু), যার শিশু মামলা নম্বর ১৫৬/২০১৭ ইংরেজি এবং নারী মামলা নম্বর : ১৮/২০১৯ ইংরেজি।

রায়ে অর্থদন্ড আদায়ের জন্য আদেশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোহাম্মদ ইসলামের এক লক্ষ টাকার সমপরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বাজেয়াপ্ত করতে জেলা কালেক্টর (ডিসি) কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামীর সম্পত্তি প্রকাশ্যে বিক্রি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২’তে জমা দিতে বলা হয়েছে। এ টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ ধর্ষণের শিকার শিশুকে -কে প্রদান করতে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর স্পেশাল পিপি এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউর রহমান। আসামী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এডভোকেট গোলাম ফারুক খান কায়সার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর