Logo
শিরোনাম :
মহেশখালীর বসতবাড়ীতে আগুন,প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পুড়ে ছাই,ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ-৮ লক্ষ টাকা চকরিয়ার জনসভায় আ.লীগের যুগ্ন-সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে মহেশখালীতে পরকিয়া প্রেমের টানে গৃহবধূ উধাও  ভাসানচর ঘুরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যা বললেন ইউসেফ আল দোবেয়ার কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু-বাংলাদেশ কর্ণার’ ও ‘স্বাধীনতা মঞ্চ’ উদ্বোধন বান্দরবানে ২৭ কোটি ৬৩ লাখ ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন কক্সবাজারে ২ পিকআপ সংঘর্ষে পথচারী নিহত ঈদগাঁওতে অক্ষরের উদ্যোগে রচনা প্রতিযোগিতার পুরুস্কার বিতরন সম্পন্ন রামু থানা পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধি সাড়াশি অভিযান শুরু মহেশখালীতে আলোচিত গফুর হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

ধর্ষণের’ পর প্রতিবন্ধী নারীকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ৮০ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০

ময়মনসিংহের নান্দাইলে সড়ক থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে এক দোকানির বিরুদ্ধে। জনতার ধাওয়া খেয়ে অভিযুক্ত দোকানী পালিয়ে গেলেও ওই নারীর দায়িত্ব নেয়নি কেউ।

তবে এই ঘটনার তাৎক্ষণিক কোনো বিচার হয়নি। বরং স্বামী পরিত্যক্তা ত্রিশোর্ধ্ব ওই নারীকে মুচলেকা দিয়ে নিতে হয়েছে তার বোনকে। গতকাল শুক্রবার উপজেলার রাজগাতি ইউনিয়নের কালিগঞ্জ-তাড়াইল সড়কের কাটাখালি এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে।

advertisement
জানা যায়, উপজেলার ওই সড়কের পাশে কাশিনগর গ্রামের কাটাখালি এলাকায় রয়েছে মো. আব্দুর রশিদের ছেলে মো. উজ্জ্বলের (৪০) মনিহারির দোকান। সকাল থেকেই ওই সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করছিল ওই নারী। এ সময় উজ্জ্বল তাকে ডেকে নিয়ে দোকানের ভেতরে নিয়ে দোকান বন্ধ করে দেয়।

ওই নারী জানায়, ১০০ টাকার লোভ দেখিয়ে বেশ কয়েকবার তাকে ধর্ষণ করে ওই দোকানী। পরে চলে যাওয়ার সময় তিনি চিৎকার দিলে লোকজন ছুটে এলে উজ্জ্বল দৌড়ে পালিয়ে যায়।

advertisement
খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রুকন উদ্দিন গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠালে সেখানকার কিছু লোকজন ওই নারীকে ‘খারাপ’ আখ্যায়িত করে থানায় নিতে বাধা দেয়। পরে সন্ধ্যার পর চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে ফের থানায় পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বড় বোন আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে তিনি থানায় যেতে চাইলে পরে আর যেতে চাননি। ধর্ষণের শিকার নারীর বোন বলেন, ‘আমরা গরীব মানুষ। আমার বোন পাগল। থানায় গিয়া কিতা আইবো। এইহানই বিচার করুইন।’

এখানে তো আমরা বিচার করতে পারব না-এমন কথা বললে ওই নারীর বোন বলেন, ‘তাঅইলে আমার বোন আমার কাছে দেইন। বাড়িত লইয়া যাইয়গা।’

রাজগাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুকন উদ্দিন জানান, তিনি ওই নারীকে থানায় নিতে চেষ্টা করেছেন। ওসিকে ফোন দিয়েছেন। কিন্তু থানা থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীর কাছ থেকে ধর্ষণের ঘটনা শুনে ও পারিপার্শ্বিক তদন্ত করে সত্যতা পেলেও ধর্ষণের শিকার নারীর পরিবার থানায় যেতে চায়নি। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার দাবি করা হলেও তা করা সম্ভব হয়নি। পরে লিখিত নিয়ে ওই নারীর বোনের কাছে তাকে তুলে দেওয়া হয়।

নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। তারপরও ওই নারী যদি থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেন তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর