Logo
শিরোনাম :
টেকনাফে ধরা পড়ল ভয়ঙ্কর মাদক আইসের বড় চালান মহেশখালীর কালারমার ছড়ায় ঘর দেয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র রামুতে RAB এর সাথে বন্দুকযুদ্ধে এক ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনকালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান: ড্রেজারসহ ৮টি মেশিন ধ্বংস,২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় মহেশখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে অপহৃত কিশোর’কে ৫ মাস পর উদ্ধার। ইসলামপুরে মালবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৬  কক্সবাজারে সেই তিন পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্তঃ ২ দিনের রিমান্ডে রামুর গর্জনিয়া মাছ বাজার রাস্তার ওপর পঁচা পানির দুর্গন্ধ বাদাম-চকলেটের প্যাকেটে ১৭ হাজার ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১ জনগণের প্রসংশায় ভাসছেন মহেশখালী থানার (ওসি) আবদুল হাই

ঈদগাঁওর ইটভাটায় পুড়ানো হচ্ছে বনের কাঠ

স্টাফ রিপোর্টার,ঈদগাঁও / ৫০ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২১

সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে পরিবেশ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে কয়টি ইটভাটার জ্বালানী কাঠ পুড়ানো হচ্ছে। ফলে পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চলের বৃক্ষাদি প্রতিনিয়ত উজাড় হলেও নজর নেই সংশ্লিষ্টদের। যার কারণে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। স্থানীয় সচেতন মহলের আশংকা এ অবস্থা চলতে থাকলে বৃক্ষশূণ্য হয়ে পড়বে পুরো বনাঞ্চল।

দেখা যায়, বৃহত্তর এলাকার তিন ইউনিয়নে বেশ কটি ইটভাটায় পুড়ানো হচ্ছে বনাঞ্চলের কাঠ। এসব ইটভাটায় চলতি মৌসুমে ইট তৈরীর কার্যক্রম চলছে।

ইটভাটা মালিকরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে ম্যানেজ করে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে কাঠ পাচার করে পোড়াচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এতে পাশ্ববর্তী বন বিভাগের সংরক্ষিত ও রক্ষিত পাহাড়ের সৃজিত বাগানের কচি বৃক্ষাদি উজাড় হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

জানা যায়, প্রত্যক ইটভাটায় ডাম্পার ও ট্রাক রয়েছে। মালিকদের বেতনধারী চালকরা এসব পরিবহন দিয়ে রাতদিন বনাঞ্চল থেকে চারাগাছ কেটে জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ করে নিয়ে আসে স্ব-স্ব ইটভাটায় মজুদ করে রাখে। সন্ধ্যা পার হতে না হতেই জ্বালানী কাঠ ভর্তি ডাম্পার চলাচল বেশি ভাগ চোখে পড়ে। এভাবে মালিকরা বেপরোয়া বন বাগানের মূল্যবান উঠতি গাছের চারা ইটভাটায় পুড়িয়ে বিপন্ন করেছে বনাঞ্চল আর পরিবেশ। ফলে একদিকে যেমন বন বিভাগের মূল্যবান বৃক্ষ সাবাড় হচ্ছে, সরকার হারাচ্ছে প্রচুর রাজস্ব। অন্যদিকে অনবরত গাছপালা কেটে ফেলার ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব ও পরিবেশ তার ভারসাম্য হারিয়ে মানবদেহের ক্ষতিকারক অতিবেগুনী রশ্মি পৃথিবীতে এসে পড়ে।

সচেতন মহলের মতে, ইটভাটা গুলোতে অভিযান চালিয়ে বৃক্ষ নিধন বন্ধ করা জরুরী। এছাড়া কাঠ পাচারকারী ও ভাটা মালিকদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অচিরেই বনজ সম্পদ ধ্বংস হয়ে যাবে।

বিট কর্মকতা জাকের হোসেন এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান।

মেহেরঘোনা রেঞ্জ কর্মকতা মামুন মিয়া মুঠোফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর