Logo
শিরোনাম :
চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনকালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান: ড্রেজারসহ ৮টি মেশিন ধ্বংস,২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় মহেশখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে অপহৃত কিশোর’কে ৫ মাস পর উদ্ধার। ইসলামপুরে মালবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৬  কক্সবাজারে সেই তিন পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্তঃ ২ দিনের রিমান্ডে রামুর গর্জনিয়া মাছ বাজার রাস্তার ওপর পঁচা পানির দুর্গন্ধ বাদাম-চকলেটের প্যাকেটে ১৭ হাজার ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১ জনগণের প্রসংশায় ভাসছেন মহেশখালী থানার (ওসি) আবদুল হাই চাঁপাই নবাবগঞ্জে ১০ দফা দাবীতে নিরাপদ সড়ক চেয়ে মানববন্ধান পেকুয়ায় কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে জখম,আটক-১ ঈদগাঁওতে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগ কলম বিরতি ও প্রতিবাদ সমাবেশ সম্পন্ন

শিশু বলাৎকারের মামলায় মৌলভীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

কক্সবাজার প্রতিনিধি।  / ৫৮ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

কক্সবাজারে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে মনছুর আলম (৪০) নামের এক মৌলভীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে অর্ধলাখ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।

রোববার (৭ ফেব্রুয়ারী) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ জজ) জেবুন্নাহার আয়শা এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের মধ্যম হজালিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে মৌলভী মনছুর আলম (৪০)।

কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর স্পেশাল পিপি এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউর রহমান রেজা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ২০১৮ সালের ৭ জুলাই রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের দোছড়ি জামে মসজিদে রাতে অন্যান্যদের সাথে মাওলানা মনছুর আলমের কাছ থেকে কোরআন শিক্ষা নিয়ে মসজিদে ঘুমিয়ে পড়ে ১০ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থী। পরে রাত সাড়ে ১২ টার দিকে মাওলানা মনছুর আলম ওই শিশু শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলৎকার (ধর্ষন) করে। এ ঘটনায় ওই শিশুর পিতা বাদী হয়ে মাওলানা মনছুর আলমকে আসামী করে রামু থানায় ২০১৮ সালের ১০ জুলাই একটি মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর : ১৫/২০১৮ (রামু), জিআর মামলা নম্বর ২১৮/২০১৮ ইংরেজি (রামু) এবং নারী মামলা নম্বর : ৪০/২০১৯ ইংরেজি।

উক্ত মামলায় মৌলভী মনছুর আলম ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজে দোষ স্বীকার করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দী দেন। ২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী এ মামলার অভিযোগ গঠন করে ১০ জন সাক্ষী, আসামীপক্ষে ৫ জন সাফাইসাক্ষী নেওয়া হয়। জেরা, যুক্তিতর্ক শেষে বিজ্ঞ বিচারক মামলায় উক্ত রায় ঘোষনা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর স্পেশাল পিপি এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউর রহমান রেজা ও আসামীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট মোহাম্মদ ইব্রাহিম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর