Logo
শিরোনাম :
পেকুয়ায় গৃহবধূ হত্যা: ৩৭ জনকে আসামি করে মামলা চকরিয়ায় আটক ৬ নারী-পুরুষ জরিমানা ও মুচলেকায় মুক্ত সীতাকুণ্ডে গাড়ি চাপায় এক মহিলা নিহত আ,লীগের জরুরী সভা ইসলামপুর ইউনিয়ন আ,লীগের সাধারন সম্পাদককে বয়কটের ঘোষনা তৃনমূল নেতৃবৃন্দের বিদায় ১৪২৭, আজ চৈত্র সংক্রান্তি রোগীদের অক্সিজেন সংকট নিরসনে বান্দরবান সদর হাসপাতালে চালু করা হলো নতুন অক্সিজেন প্ল‍্যান্ট হাটহাজারীতে ইট ভাটার দেওয়াল চাপা পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুতর আহত হয়ে ৯দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কাছে হার মানলো মাদরাসা ছাত্র সন্দ্বীপে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকায় মিললো গুলির বস্তা

বঙ্গবন্ধু ছিলেন চলচ্চিত্রের বন্ধু

ডেইলী উখিয়া নিউজ ডেস্কঃ / ৪৭ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ওতোপ্রতভাবে জাড়িয়ে আছে। আজ ঢাকাই চলচ্চিত্র যে অবস্থানে এসে পৌঁছেছে তার পেছনে এই মহান নেতার সরাসরি অবদান রয়েছে। চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তার এই অবদান ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

দেশভাগ ও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর এ অঞ্চলে পূর্ণাঙ্গ ফিল্ম স্টুডিও স্থাপনের দাবি ক্রমেই জোরদার হচ্ছিল। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ হটিয়ে যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসে। শেখ মুজিবুর রহমান হন প্রাদেশিক সরকারের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী। এ সময় ঢাকায় একটি স্থায়ী ফিল্ম স্টুডিও স্থাপনের ব্যাপারে তার সঙ্গে আলোচনা করেন আবদুল জব্বার খান, ডক্টর আবদুস সাদেক, নূরুজ্জামানসহ আরও অনেকে। বঙ্গবন্ধু তাদের প্রস্তাবে সম্মতি দেন এবং একটি পরিকল্পনা পেশ করতে বলেন।

বঙ্গবন্ধু ১৯৫৭ সালের মার্চের ২৭ তারিখ পূর্ব-পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে ‘পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা’ বিলটি উত্থাপন করেন। ওই একই বছরের ৩ এপ্রিল উক্ত বিলটি কিছু সংশোধনী আনার পর বিনা বাধায় আইন পরিষদে পাশ হয়।

১৯ জুন আইনটি কার্যকর হয়। ফলে যাত্রা শুরু করে ‘পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা’। বর্তমানে যা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা (বিএফডিসি) নামে পরিচিত। তাই ২০১২ সাল থেকে এই ৩ এপ্রিল জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা প্রতিষ্ঠার পর পরই বঙ্গবন্ধু চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের সঙ্গে অনেকগুলো গঠনমূলক সিদ্ধান্ত নেন। এসব সিদ্ধান্তের ফলে দ্রুত চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ সম্ভব হয়। নির্মিত হতে থাকে একের পর এক চলচ্চিত্র।

নতুন প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী, কুশলীরা এগিয়ে আসেন নতুন পেশায়। এমনকি পশ্চিম পাকিস্তানি প্রযোজক পরিচালকরাও এখানে ছবি নির্মাণ করতে আসেন। শুরু হয় জীবনবাদী ও সৃজনশীল ছবির কাজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর