Logo

কক্সবাজারে সড়ক ও ড্রেনের ময়লা আবর্জনা দোকানে, অপূরণীয় ক্ষতি ব্যবসায়ীদের

কক্সবাজার প্রতিনিধি। / ১১ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২

অল্প বৃষ্টিতে বেহাল কক্সবাজার শহর। সড়ক, ড্রেনের ময়লা আবর্জনা ও পানি ঢুকে পড়েছে দোকানে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা নাগাদ জমে আছে বৃষ্টির পানি। দিনভর অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের। বিশেষ করে বৃহত্তর বার্মিজ মার্কেট এলাকার করুন অবস্থা চোখে পড়ার মতো। ড্রেনে আবর্জনা সোজা ঢুকে পড়েছে দোকানপাটে। তাতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সড়কের উন্নয়ন কাজে সমন্বয়হীনতা ও ধীরগতির খেসারত দিচ্ছে পৌরবাসী, এমনটিই জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে রোকেয়া বার্মিজ মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, প্রত্যেকটা দোকানে পানি ঢুকে আছে। জমা পড়েছে ময়লা-আবর্জনা। কেউ দোকান পরিষ্কার করছে। আর কেউ পানি আর মালামাল সরাচ্ছে। আর করুণ দৃশ্য দেখছে পথচারীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদাররা হলেন- ফরমান উল্লাহ, মোঃ ইসমাইল, মীর কাশেম, সাইদুল ইসলাম ছোটন, রফিকুল ইসলাম, এবাদুল্লাহ, আবদুল করিম, মোঃ এমরান, শওকত আলম, নেজাম উদ্দিন, ফারুক, দেলোয়ার হোসেন, রিফাত, শাহজাহান, শাহেদ, বদিউল আলম, গিয়াস উদ্দিন, কাজি রফিকুল ইসলাম।

আবু সেন্টার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বৃহত্তর বার্মিজ মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিঃ এর সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম বলেন, বৃহত্তর বার্মিজ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীরা কঠিন সময় পার করছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়ক ও ড্রেনের ময়লা আবর্জনা পানি সোজা দোকানে ঢুকে যায়। হাঁটা চলা করাও কঠিন। তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। দুর্দশা দেখার কেউ নেই।

বৃহত্তর বার্মিজ মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের কার্যকরী সভাপতি মুছা কলিম উল্লাহ বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন দোকানপাট বন্ধ ছিল। ব্যবসায়ীরা কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে। বিগত দুই বছর ধরে তারা করুণ অবস্থায় রয়েছে।
এরই মাঝে সড়কের উন্নয়নের নামে যে অবস্থা তৈরি হয়েছে, তা যেন মরার উপর খাড়ার ঘা। অল্প কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টির কারণে ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ ও ক্ষতির কথা বর্ণনা দিয়ে শেষ করা যাবে না।
এই ক্ষতির দায়ভার কে নিবে? এমন প্রশ্নে ব্যবসায়ী নেতার।

ব্যবসায়ী নেতা মুছা কলিম উল্লাহ দুঃখ করে বলেন, করোনাকালে বার্মিজ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীরা সরকারি-বেসরকারি কোন ধরণের প্রণোদনা কিংবা আর্থিক সহায়তা পায়নি। ইনকাম ট্যাক্স-ভ্যাট দিয়েও কেন অবহেলিত, বৈষম্যের শিকার? এই দুঃখ তার।

ব্যবসায়ীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মুছা কলিম উল্লাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর