Logo
শিরোনাম :
টেকনাফে অস্ত্র-গুলি-ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু কক্সবাজারে ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল হত্যার নেতৃত্বদানকারী আজিজ গ্রেপ্তার ১৬ মাসে ২০ লাখ ইয়াবাসহ ২৪৯ অস্ত্র উদ্ধার,আটক-৯৭২ সম্মেলন থেকে ফেরার পথে কক্সবাজারে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা উখিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে ৮-এপিবিএন এর হটলাইন টেকনাফে অস্ত্র ও গুলিসহ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার উখিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ রোহিঙ্গা গ্রেফতার উখিয়ায় এনজিও কর্মীকে কুপিয়ে জখম,মাদকাসক্ত রোহিঙ্গা আটক

তখন মৃত্যুকে দেখেছি, বাঁচব সেটা ভাবিনি’

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি। / ২৭ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২

কন্টেইনার লোড-আনলোডের কাজ করছিলাম। হঠাৎ দেখি আগুন। এরপর বিস্ফোরণ। মুহূর্তেই ছিটকে পড়ি। এ সময় আমার পা একটি কন্টেইনারের নিচে চাপা পড়ে। নড়তে-চড়তে পারছিলাম না। এ সময় মৃত্যুকে দেখছি। বাঁচব সেটা ভাবিনি।

কথাগুলো বলছিলেন নুরুল আলম (৩৪)। তখন সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের বারন্দায় শুয়েছিলেন তিনি। হাতে ক্যামেরা দেখে প্রশ্ন করেন আপনি কি সাংবাদিক। হ্যাঁ জবাব পেয়ে কোনোরকমে কাত হয়ে উঠে বসেন তখন।

এরপর শুরু করেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার না বলা কাহিনি। নুরুল আলম বলেন, ডিপোর মালিকের গাফিলতি ও অব্যস্থাপনার কারণে এই দুর্ঘটনা। আমি এই ডিপোতে কন্টেইনার লোড-আনলোডের কাজ করছি ৮ বছর ধরে। কিন্তু নিজের চোখে দেখেছি, ডিপোর বিপজ্জনক অবস্থা।

তিনি বলেন, সে দিন এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে রাসায়নিকের কন্টেইনার থেকে। সেখানে অনেক কন্টেইনারের গায়ে লেখা আছে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড। ডিপোর মালিকের কালুরঘাট কারখানায় এসব রাসায়নিক উৎপাদন করা হয়। যা দেশের বাইরে এক্সপোর্ট করা হয়। আর এসব কন্টেইনার সংরক্ষণে ডিপোতে কোনোরকম নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। বিভিন্ন পণ্যের কন্টেইনারের পাশে রাসায়নিকের এসব কন্টেইনার রাখা হতো যত্রতত্রভাবে। যার ফলে এই দুর্ঘটনা।

তবে সেদিন যে কন্টেইনারে আগুন লেগেছে, তাদের কেউ বেঁচে নেই। ফলে কেউ বলতে পারছে না কীভাবে আগুন লেগেছে। আগুন লাগার পর একের পর এক যে বিস্ফোরণ ঘটে তাতে প্রাণহানি হয়েছে বেশি। বিস্ফোরণের শব্দ আর আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আমি নিজেও আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। কন্টেইনারের নিচে যখন পা চাপা পড়ে, তখন বিস্ফোরণ থেকে বাঁচতে ওই কন্টেইনারের পাশে নিজেকে লুকানোর চেষ্টা করি। এতে হয়তো আমি বেঁচে যাই। আল্লাহ হায়াৎ রেখেছেন বলে ফায়ার সার্ভিস আমাকে উদ্ধার করেছে।

একই কথা বলেছেন হাবিব নামে একজন। তার বাড়ি সিলেটে। তার বাবার জোলমান আলী। পুড়ে যাওয়ায় তিনি মুখে তেমন কথা বলতে পারছিলেন না। তবুও বলেছেন, বাঁচব ভাবিনি, আল্লাহ বাঁচিয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও তার কোনো আত্মীয়স্বজন এখনও আসেনি। খোঁজ পেতে তার ছবিটি পত্রিকায় প্রকাশ করার অনুরোধ জানান তিনি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর