Logo

মিয়ানমার সীমান্তে বিকেল থেকে গোলাগুলি, আতঙ্কে রোহিঙ্গারা

কায়সার হামিদ মানিক / ২৪ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ওয়ালিডং পাহাড়ে শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে আবারও গোলাগুলি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের তুমব্রু বাজার থেকে ওপারের মুহুর্মুহু গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখার আশ্রয়শিবিরে বসবাস করা চার হাজারের বেশি রোহিঙ্গা।

শূন্যরেখার আশ্রয়শিবির ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান দিল মোহাম্মদ বলেন, আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর মধ্যে তুমুল গুলিবর্ষণ ও সংঘর্ষ চলছে। মাঝে মধ্যে আর্টিলারি ও মর্টার শেলের গোলার বিকট শব্দ কানে আসছে। গুলির শব্দে আশ্রয়শিবির কাঁপছে। এত দিন দুপুরের আগে যুদ্ধ থেমে যেত, গোলাগুলি বন্ধ থাকত। বিকেলে আশ্রয় শিবিরের নারী-পুরুষেরা ঘরের বাইরে এসে প্রয়োজনীয় কাজ করতেন এবং শিশুরা খেলাধুলা করত। আজ বিকেলে হঠাৎ গোলাগুলি শুরু হওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আশ্রয় শিবিরের কাছাকাছি গোলাগুলি হওয়ায় আতঙ্ক বেশি। তবে আকাশে ফাইটার জেট ও হেলিকপ্টারের ওড়াউড়ি দেখা যায়নি।

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, ‘সীমান্তে দুই দিন গোলাগুলি বন্ধ থাকায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু হঠাৎ শুক্রবার বিকেল থেকে আবারও গোলাগুলি শুরু হওয়ায় ভয়ে আছে সীমান্তের লোকজন। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

তুমব্রু সীমান্তের বাসিন্দা মাহমুদুল হক বলেন, ‘দুই দিন বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে আবারও বিকেল থেকে ভারী গুলি করা হচ্ছে। গুলির বিকট শব্দে এখানকার মানুষজন ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছে। তবে আকাশে এখন পর্যন্ত মিয়ানমারের হেলিকপ্টার বা যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে বান্দরবানের পুলিশ সুপার (এসপি) তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন, ‘সীমান্তে আবারও গোলাগুলির খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে ভয়ভীতির কোনও কারণ নেই। আমরা সীমান্তে সর্তক অবস্থানে রয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর