Logo
শিরোনাম :
টেকনাফে অস্ত্র-গুলি-ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু কক্সবাজারে ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল হত্যার নেতৃত্বদানকারী আজিজ গ্রেপ্তার ১৬ মাসে ২০ লাখ ইয়াবাসহ ২৪৯ অস্ত্র উদ্ধার,আটক-৯৭২ সম্মেলন থেকে ফেরার পথে কক্সবাজারে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা উখিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে ৮-এপিবিএন এর হটলাইন টেকনাফে অস্ত্র ও গুলিসহ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার উখিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ রোহিঙ্গা গ্রেফতার উখিয়ায় এনজিও কর্মীকে কুপিয়ে জখম,মাদকাসক্ত রোহিঙ্গা আটক

শেরপুরে শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ লম্পট ভগ্নিপতি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ২২৪ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০

শেরপুরে এবার এক শ্যালিকাকে (১৯) ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণের অভিযোগে মুন্না খান (২৮) নামে এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১২ অক্টোবর সোমবার দুপুরে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মুন্না সদর উপজেলার সাপমারী গ্রামের আব্দুস সামাদ খানের ছেলে।

বিকেলে তাকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা হোসেন তুষি বুধবার রিমান্ড শুনানীর তারিখ ধার্য করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। একই দিন জেলা সদর হাসপাতালে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্ষক মুন্না খানের শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুর। গত ৭ অক্টোবর তার স্ত্রীর সিজারে বাচ্চা হয়। বোনের দেখাশোনা করার জন্য মুন্না তার বিবাহিত শ্যালিকাকে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাপমারী গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন। দু’দিন থাকার পর শ্যালিকা ফরিদপুরে চলে যেতে চাইলে মুন্না তাকে ঢাকা পর্যন্ত ছেড়ে দেবেন বলে রবিবার সকালে গাড়িতে করে শেরপুর শহরের রাজবল্লভপুরের বাসায় নিয়ে যান।

সেখানে সে সকাল থেকে কয়েক দফায় তাকে ধর্ষণ করে এবং কয়েকজনের সহযোগিতায় ধর্ষণের ভিডিওচিত্র ধারণ করে। ওইসময় লম্পট মুন্না ঘটনা কাউকে জানালে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়। নিরুপায় হয়ে রবিবার রাতে শ্যালিকা ৯৯৯ ফোন করে ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ রাজবল্লভপুরের বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও ধর্ষক মুন্নাকে আটক করে।

পরে ওই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে লম্পট ভগ্নিপতি ও তার ৩ সহযোগীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং পর্ণোগ্রাফী আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুল আলম ভুঁইয়া বলেন, ওই ঘটনায় ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদর থানায় ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফী আইনের পৃথক দু’টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ধর্ষক ভগ্নিপতিকে পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সহযোগী অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর